ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস সংকটে চট্টগ্রাম, সারারাত লাইনে দাঁড়িয়ে মিলছে অল্প গ্যাস

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৫:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৬১

গ্যাস সংকটে কমেছে সিএনজি চালিত যানবাহন, বেড়েছে যাত্রীদের ভোগান্তি। | ছবি: সংগৃহীত

গ্যাস সংকট যেন কাটছেই না চট্টগ্রামে। নগরের বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি সারারাত লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা। কেউ কেউ দীর্ঘ অপেক্ষার পরও মাত্র অল্প পরিমাণ গ্যাস নিয়ে ফিরছেন। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও গণপরিবহনের সংখ্যা কমে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সোমবার (৩ আগস্ট) নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

অক্সিজেন, বহদ্দারহাট, কর্ণফুলী, আগ্রাবাদ, হালিশহর, বাকলিয়া, মইজ্জার টেক, চান্দগাঁও ও পতেঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি পাম্পে দেখা গেছে দীর্ঘ সারি। অনেক চালক গভীর রাত থেকে অপেক্ষা করছেন, কেউ আবার সকাল পেরিয়ে দুপুর পর্যন্ত গ্যাসের আশায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় চালকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপের খবরও এসেছে।

গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ লাইন
গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামের সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ যানবাহনের সারি। | ছবি: সংগৃহীত

এক সিএনজিচালক জানান, সারারাত লাইনে দাঁড়িয়ে সকালে মাত্র ২০০ টাকার গ্যাস পেয়েছেন। তার প্রশ্ন, পর্যাপ্ত গ্যাস না পেলে গাড়ি চালিয়ে মালিকের জমার টাকা দেবেন কীভাবে? দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর অল্প গ্যাস পাওয়ায় আয় কমে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। তার মতো অনেক চালকই একই পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন। এতে একদিকে তাদের আয় কমছে, অন্যদিকে যাত্রীদের জন্য রাস্তায় প্রয়োজনীয় যানবাহনও পাওয়া যাচ্ছে না।

গ্যাস সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে নগরের গণপরিবহনে। অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও বাস পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় রাস্তায় নামতে পারছে না। সকাল থেকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীদের পড়তে হচ্ছে বাড়তি সমস্যায়। সময়মতো অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবহন সংকটের সুযোগে কিছু চালকের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। যাত্রীদের দাবি, অনেক সিএনজি অটোরিকশা মিটারে চলছে না। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কোথাও দ্বিগুণ, আবার কোথাও তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। বিকল্প যানবাহন না থাকায় বাধ্য হয়েই বেশি টাকা দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে অনেককে। ফলে গ্যাস সংকটের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তি ভাড়ার চাপও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।

শুধু সড়কের পরিবহন ব্যবস্থাই নয়, গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে নগরের বাসাবাড়িতেও। বিভিন্ন এলাকায় দিনের বড় একটি সময় গ্যাসের চাপ না থাকায় রান্না করতে পারছেন না অনেকে। কেউ হোটেল থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন, আবার কেউ গভীর রাত বা ভোরে গ্যাস এলে রান্না করে রাখছেন। একইভাবে ছোট ব্যবসা ও শিল্পকারখানার কাজও ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

চট্টগ্রামের এই পরিস্থিতির পেছনে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালকেন্দ্রিক সরবরাহ সংকটের প্রভাব রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২১ জুলাই মহেশখালীর একটি এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়। অন্য একটি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ চালু থাকলেও তা চাহিদার তুলনায় কম। এর ফলে আবাসিক গ্রাহক থেকে শুরু করে শিল্প ও সিএনজি ফিলিং স্টেশন—বিভিন্ন খাতে গ্যাসের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে গ্যাসের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় পাম্পগুলোতে স্বাভাবিকভাবে গাড়িতে জ্বালানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক গাড়ি পাম্পে জমা হচ্ছে এবং দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। একটি গাড়িতে গ্যাস নিতে বেশি সময় লাগায় লাইনের পেছনে থাকা চালকদের অপেক্ষার সময়ও বাড়ছে। রাত থেকে অপেক্ষা করেও সকালে অল্প গ্যাস পাওয়ার অভিযোগটি মূলত এই সংকটেরই একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে।

গ্যাস না পাওয়ায় চালকদের আয় কমছে, আবার গাড়ি কমে যাওয়ায় যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। অর্থাৎ একই সংকটের চাপ পড়ছে পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রী—দুই পক্ষের ওপরই। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জরুরি যাতায়াতেও এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। তাই দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। একই সঙ্গে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা এবং সংকটের সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগগুলো নজরদারির আওতায় আনার দাবি উঠেছে। এতে চালক ও যাত্রী উভয়ের দুর্ভোগ কিছুটা কমতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাস সংকট শুধু একটি জ্বালানি সমস্যা হিসেবে থাকছে না; এর প্রভাব সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পড়ছে। রান্নার গ্যাস না থাকায় যেমন পরিবারগুলো সমস্যায় পড়ছে, তেমনি সিএনজি না পাওয়ায় রাস্তায় আটকে যাচ্ছে কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। তাই দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করাই এখন চট্টগ্রামবাসীর প্রধান প্রত্যাশা।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে চট্টগ্রাম, সারারাত লাইনে দাঁড়িয়ে মিলছে অল্প গ্যাস

Update Time : ০৫:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

গ্যাস সংকট যেন কাটছেই না চট্টগ্রামে। নগরের বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি সারারাত লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা। কেউ কেউ দীর্ঘ অপেক্ষার পরও মাত্র অল্প পরিমাণ গ্যাস নিয়ে ফিরছেন। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও গণপরিবহনের সংখ্যা কমে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সোমবার (৩ আগস্ট) নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

অক্সিজেন, বহদ্দারহাট, কর্ণফুলী, আগ্রাবাদ, হালিশহর, বাকলিয়া, মইজ্জার টেক, চান্দগাঁও ও পতেঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি পাম্পে দেখা গেছে দীর্ঘ সারি। অনেক চালক গভীর রাত থেকে অপেক্ষা করছেন, কেউ আবার সকাল পেরিয়ে দুপুর পর্যন্ত গ্যাসের আশায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় চালকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপের খবরও এসেছে।

গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ লাইন
গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামের সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ যানবাহনের সারি। | ছবি: সংগৃহীত

এক সিএনজিচালক জানান, সারারাত লাইনে দাঁড়িয়ে সকালে মাত্র ২০০ টাকার গ্যাস পেয়েছেন। তার প্রশ্ন, পর্যাপ্ত গ্যাস না পেলে গাড়ি চালিয়ে মালিকের জমার টাকা দেবেন কীভাবে? দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর অল্প গ্যাস পাওয়ায় আয় কমে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। তার মতো অনেক চালকই একই পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন। এতে একদিকে তাদের আয় কমছে, অন্যদিকে যাত্রীদের জন্য রাস্তায় প্রয়োজনীয় যানবাহনও পাওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন  গ্যাসের সমস্যা কমাতে আদা খাওয়ার নিয়ম

গ্যাস সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে নগরের গণপরিবহনে। অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও বাস পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় রাস্তায় নামতে পারছে না। সকাল থেকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীদের পড়তে হচ্ছে বাড়তি সমস্যায়। সময়মতো অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবহন সংকটের সুযোগে কিছু চালকের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। যাত্রীদের দাবি, অনেক সিএনজি অটোরিকশা মিটারে চলছে না। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কোথাও দ্বিগুণ, আবার কোথাও তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। বিকল্প যানবাহন না থাকায় বাধ্য হয়েই বেশি টাকা দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে অনেককে। ফলে গ্যাস সংকটের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তি ভাড়ার চাপও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।

শুধু সড়কের পরিবহন ব্যবস্থাই নয়, গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে নগরের বাসাবাড়িতেও। বিভিন্ন এলাকায় দিনের বড় একটি সময় গ্যাসের চাপ না থাকায় রান্না করতে পারছেন না অনেকে। কেউ হোটেল থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন, আবার কেউ গভীর রাত বা ভোরে গ্যাস এলে রান্না করে রাখছেন। একইভাবে ছোট ব্যবসা ও শিল্পকারখানার কাজও ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুন  জিয়াউর রহমানের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

চট্টগ্রামের এই পরিস্থিতির পেছনে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালকেন্দ্রিক সরবরাহ সংকটের প্রভাব রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২১ জুলাই মহেশখালীর একটি এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়। অন্য একটি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ চালু থাকলেও তা চাহিদার তুলনায় কম। এর ফলে আবাসিক গ্রাহক থেকে শুরু করে শিল্প ও সিএনজি ফিলিং স্টেশন—বিভিন্ন খাতে গ্যাসের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে গ্যাসের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় পাম্পগুলোতে স্বাভাবিকভাবে গাড়িতে জ্বালানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক গাড়ি পাম্পে জমা হচ্ছে এবং দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। একটি গাড়িতে গ্যাস নিতে বেশি সময় লাগায় লাইনের পেছনে থাকা চালকদের অপেক্ষার সময়ও বাড়ছে। রাত থেকে অপেক্ষা করেও সকালে অল্প গ্যাস পাওয়ার অভিযোগটি মূলত এই সংকটেরই একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে।

আরও পড়ুন  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন

গ্যাস না পাওয়ায় চালকদের আয় কমছে, আবার গাড়ি কমে যাওয়ায় যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। অর্থাৎ একই সংকটের চাপ পড়ছে পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রী—দুই পক্ষের ওপরই। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জরুরি যাতায়াতেও এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। তাই দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। একই সঙ্গে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা এবং সংকটের সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগগুলো নজরদারির আওতায় আনার দাবি উঠেছে। এতে চালক ও যাত্রী উভয়ের দুর্ভোগ কিছুটা কমতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাস সংকট শুধু একটি জ্বালানি সমস্যা হিসেবে থাকছে না; এর প্রভাব সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পড়ছে। রান্নার গ্যাস না থাকায় যেমন পরিবারগুলো সমস্যায় পড়ছে, তেমনি সিএনজি না পাওয়ায় রাস্তায় আটকে যাচ্ছে কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। তাই দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করাই এখন চট্টগ্রামবাসীর প্রধান প্রত্যাশা।