ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে বলে দাবি করেছে। এবার দেশটির দুটি সামরিক পরিবহন বিমান এবং একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলার কথা জানিয়েছে গোষ্ঠীটি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে হুতি-সংশ্লিষ্ট টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে এসব তথ্য জানান মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারে। হুতিদের মুখপাত্রের দাবি, মঙ্গলবার রাতে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সৌদি আরবের দুটি সামরিক পরিবহন বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হামলার প্রথম লক্ষ্য ছিল সৌদি আরবের নজরান বিমানবন্দর। দ্বিতীয় বিমানটিকে লক্ষ্য করা হয় খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে। ইয়াহিয়া সারে দাবি করেন, দুটি অভিযানেই নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করা হয়েছে। তবে হামলায় বিমান দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, কিংবা হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে দেওয়া তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি। এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। এদিকে সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতি গোষ্ঠী। ইয়াহিয়া সারের ভাষ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এর ফলে বিমানবন্দরের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হয়ে যায় বলেও দাবি করেন তিনি। একই রাতে সামরিক বিমান ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলার দাবি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বিমানঘাঁটি ও বেসামরিক বিমান চলাচলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার দাবি গুরুত্বপূর্ণ। তবে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং ফ্লাইট চলাচলে প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য প্রয়োজন। উল্লেখ্য, এ ঘটনায় এখানে উল্লেখ করা তথ্যগুলো হুতি গোষ্ঠীর মুখপাত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া, বিমানগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং আবহা বিমানবন্দরের কার্যক্রম কখন স্বাভাবিক হয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই হামলার সাফল্য ও এর পরিণতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্যের অপেক্ষা কর