৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৩তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে এবং দিনটিতে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর ফলে সরকারি ছুটির তালিকায় দিনটি আবারও অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।
এর আগে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। এর ফলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ টানা পাঁচ দিনের ছুটি উপভোগের সুযোগ পান।
অতিরিক্ত ছুটির সমন্বয় করতে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় ১৭ অক্টোবর শনিবার খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। ওই দিন সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামরিক ও বেসামরিক পর্যায়ে অভ্যুত্থান ঘটে। পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহও বাংলাদেশের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে রয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। অতীতে দিবসটি সরকারি ছুটির মর্যাদাও পেয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সরকারি ছুটির তালিকা থেকে দিনটি বাদ দেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আবারও প্রতিবছর সাধারণ ছুটির দিনে পরিণত হচ্ছে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দিবসটি পালন এবং ছুটি কার্যকর করার বিষয়টি সরকারি নির্দেশনার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
সরকারি ছুটির তালিকায় এই পরিবর্তন সরকারি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিকল্পনায় প্রভাব ফেলবে। তাই ছুটির দিন ঘিরে অফিসের কার্যক্রম বা প্রয়োজনীয় সেবা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা দেখে নেওয়া প্রয়োজন।


মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন