ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিডিং ল্যাম্প জ্বালিয়ে রাতে চোখ ও ঘুম ভালো রাখার উপায়!

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৬:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১৩

বই পড়ার সময় সরাসরি চোখে আলো না দেওয়াই ভালো।

রিডিং ল্যাম্প জ্বালিয়ে রাতে বই পড়ার অভ্যাস অনেকেরই। কিন্তু ঘরের সব আলো বন্ধ করে শুধু একটি ছোট বাতির আলোয় দীর্ঘ সময় পড়লে চোখে অস্বস্তি বা ক্লান্তি তৈরি হতে পারে। তাই শুধু আলো আছে কি না, সেটি নয়, আলোটি চোখের জন্য আরামদায়ক কি না সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

খুব কম আলোতে বই পড়লে চোখকে পাতার লেখা দেখতে বেশি পরিশ্রম করতে হতে পারে। এর ফলে চোখ ক্লান্ত লাগা, জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা বা চোখে পানি আসার মতো অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোও বইয়ের পাতা থেকে প্রতিফলিত হয়ে চোখে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

তাই রিডিং ল্যাম্প এমন জায়গায় রাখা ভালো, যাতে আলো সরাসরি চোখে না এসে বইয়ের পাতায় পড়ে। ডানহাতি হলে সাধারণত বাঁ পাশ থেকে এবং বাঁহাতি হলে ডান পাশ থেকে আলো দিলে হাতের ছায়া পাতার ওপর পড়ার সম্ভাবনা কমে। পড়ার সময় ঘর একেবারে অন্ধকার না রাখাও আরামদায়ক হতে পারে।

রাতে আলো বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা দরকার। বিশেষ করে ঘুমানোর কাছাকাছি সময়ে খুব উজ্জ্বল আলো শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের ছন্দে প্রভাব ফেলতে পারে। সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, ঘুমের আগে উজ্জ্বল কৃত্রিম আলো কমিয়ে রাখা ভালো।

মুঠোফোন বা ট্যাবলেটে বই পড়লে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা প্রয়োজন অনুযায়ী কমিয়ে নেওয়া এবং ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভালো। বিশেষ করে যাদের ঘুম আসতে সমস্যা হয়, তাদের রাতে উজ্জ্বল স্ক্রিন ও আলো কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

সবশেষে, রাতে বই পড়ার অভ্যাস পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং রিডিং ল্যাম্প এমনভাবে ব্যবহার করুন, যাতে বই পরিষ্কার দেখা যায় কিন্তু আলো চোখে সরাসরি না লাগে। পড়ার মাঝে মাঝে চোখকে বিশ্রাম দিন এবং ঘুমের সময় ঘর যতটা সম্ভব অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখুন। নিয়মিত চোখে ব্যথা, ঝাপসা দেখা বা দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তি হলে চোখের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

জনপ্রিয় সংবাদ

রিডিং ল্যাম্প জ্বালিয়ে রাতে চোখ ও ঘুম ভালো রাখার উপায়!

Update Time : ০৬:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

রিডিং ল্যাম্প জ্বালিয়ে রাতে বই পড়ার অভ্যাস অনেকেরই। কিন্তু ঘরের সব আলো বন্ধ করে শুধু একটি ছোট বাতির আলোয় দীর্ঘ সময় পড়লে চোখে অস্বস্তি বা ক্লান্তি তৈরি হতে পারে। তাই শুধু আলো আছে কি না, সেটি নয়, আলোটি চোখের জন্য আরামদায়ক কি না সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

খুব কম আলোতে বই পড়লে চোখকে পাতার লেখা দেখতে বেশি পরিশ্রম করতে হতে পারে। এর ফলে চোখ ক্লান্ত লাগা, জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা বা চোখে পানি আসার মতো অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোও বইয়ের পাতা থেকে প্রতিফলিত হয়ে চোখে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুন  নাক ডাকা কমানোর ১০ কার্যকর ঘরোয়া উপায়

তাই রিডিং ল্যাম্প এমন জায়গায় রাখা ভালো, যাতে আলো সরাসরি চোখে না এসে বইয়ের পাতায় পড়ে। ডানহাতি হলে সাধারণত বাঁ পাশ থেকে এবং বাঁহাতি হলে ডান পাশ থেকে আলো দিলে হাতের ছায়া পাতার ওপর পড়ার সম্ভাবনা কমে। পড়ার সময় ঘর একেবারে অন্ধকার না রাখাও আরামদায়ক হতে পারে।

রাতে আলো বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা দরকার। বিশেষ করে ঘুমানোর কাছাকাছি সময়ে খুব উজ্জ্বল আলো শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের ছন্দে প্রভাব ফেলতে পারে। সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, ঘুমের আগে উজ্জ্বল কৃত্রিম আলো কমিয়ে রাখা ভালো।

আরও পড়ুন  ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমলকি? জানুন আরও ৮ স্বাস্থ্য উপকারিতা

মুঠোফোন বা ট্যাবলেটে বই পড়লে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা প্রয়োজন অনুযায়ী কমিয়ে নেওয়া এবং ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভালো। বিশেষ করে যাদের ঘুম আসতে সমস্যা হয়, তাদের রাতে উজ্জ্বল স্ক্রিন ও আলো কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

সবশেষে, রাতে বই পড়ার অভ্যাস পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং রিডিং ল্যাম্প এমনভাবে ব্যবহার করুন, যাতে বই পরিষ্কার দেখা যায় কিন্তু আলো চোখে সরাসরি না লাগে। পড়ার মাঝে মাঝে চোখকে বিশ্রাম দিন এবং ঘুমের সময় ঘর যতটা সম্ভব অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখুন। নিয়মিত চোখে ব্যথা, ঝাপসা দেখা বা দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তি হলে চোখের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

আরও পড়ুন  চৈত্রসংক্রান্তি: গ্রামীণ ঐতিহ্য থেকে ডিজিটাল যুগে নতুন রূপ