ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর! আগস্ট-সেপ্টেম্বরে মিলছে ২৩ দিনের ছুটি Logo গ্যাস সংকটে ধুঁকছে শিল্প, ঝুঁকিতে রফতানি ও লাখো কর্মসংস্থান Logo প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাচ্ছেন? জানুন শরীরে কী ঘটতে পারে Logo চন্দনাইশ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হলেন ফুটবলার মোঃ মোজাম্মেল হক Logo ভারতের পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কার Logo সাইবর্গ তেলাপোকা তৈরি, পানির নিচেও চলবে ৩ ঘণ্টা Logo নো-বেক পিনাট বাটার বার, ওভেন ছাড়াই ১৫ মিনিটে তৈরি সুস্বাদু ডেজার্ট Logo বাংলাদেশের টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য Logo ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে প্রতিক্রিয়া, সোনাক্ষী সিনহার ভিডিও ভাইরাল Logo রেড লায়ন ভাস্কর্য মেরামতের দাবি, হারিয়েছে ঐতিহাসিক লেজ

রেড লায়ন ভাস্কর্য মেরামতের দাবি, হারিয়েছে ঐতিহাসিক লেজ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৮

হাই উইকম্বের ঐতিহাসিক রেড লায়ন ভাস্কর্য। ছবি: সংগৃহীত।

রেড লায়ন ভাস্কর্য আবারও আলোচনায় এসেছে যুক্তরাজ্যের বাকিংহামশায়ারের হাই উইকম্ব শহরে। শহরের ঐতিহাসিক হাই স্ট্রিটে অবস্থিত সাবেক রেড লায়ন হোটেলের ওপরে থাকা কাঠের তৈরি এই ভাস্কর্যের লেজ ভেঙে পড়ায় দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভাস্কর কলিন ম্যানট্রিপ। তাঁর ভাষায়, এটি শুধু একটি ভাস্কর্য নয়, বরং শহরের অন্যতম পরিচিত প্রতীক।

কলিন ম্যানট্রিপ জানান, তাঁর দাদা ফ্রাঙ্ক হাডসন ১৯৫০-এর দশকে বর্তমান রেড লায়ন ভাস্কর্যটি তৈরি করেছিলেন। এর আগের ভাস্কর্যটি ১৯৪৫ সালে উইনস্টন চার্চিলের একটি ঐতিহাসিক ভাষণের সময়ও সেখানে ছিল। বর্তমানে সেই পুরোনো ভাস্কর্যটি হাই উইকম্ব মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে।

ম্যানট্রিপ বলেন, তিনি ইতোমধ্যে তিনবার রেড লায়ন ভাস্কর্যটি সংস্কার করেছেন। ১৯৮৭ সালের ভয়াবহ ঝড়ে ভাস্কর্যটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সেটি পুনর্নির্মাণ করেন। পরে ২০০২ সালে ভাঙচুরের পর আবারও মেরামত করেন। সর্বশেষ ২০১৭ সালে স্থানীয় গণমাধ্যম ও হাই উইকম্ব সোসাইটির উদ্যোগে এটি পুনরায় সংস্কার করা হয়।

তাঁর দাবি, গত বছর থেকেই ভাস্কর্যটির কাঠে পচন ধরার কারণে লেজটি খুলে পড়ে। তিনি নিজেই এটি মেরামতের জন্য প্রস্তাব ও খরচের হিসাব দিয়েছেন। তবে এখনও কাজ শুরু হয়নি। তাঁর মতে, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও রং করা হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না।

বাকিংহামশায়ার কাউন্সিলের কনজারভেটিভ নেতা স্টিভেন ব্রডবেন্টও রেড লায়ন ভাস্কর্যটি দ্রুত সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার দায়িত্বে থাকলে সেটি সংরক্ষণ করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তবে কাউন্সিল জানিয়েছে, ভবনটির মালিক তারা নয়, তাই ভাস্কর্যের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের নয়। এদিকে ভবনটির সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর! আগস্ট-সেপ্টেম্বরে মিলছে ২৩ দিনের ছুটি

রেড লায়ন ভাস্কর্য মেরামতের দাবি, হারিয়েছে ঐতিহাসিক লেজ

Update Time : ১১:০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রেড লায়ন ভাস্কর্য আবারও আলোচনায় এসেছে যুক্তরাজ্যের বাকিংহামশায়ারের হাই উইকম্ব শহরে। শহরের ঐতিহাসিক হাই স্ট্রিটে অবস্থিত সাবেক রেড লায়ন হোটেলের ওপরে থাকা কাঠের তৈরি এই ভাস্কর্যের লেজ ভেঙে পড়ায় দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভাস্কর কলিন ম্যানট্রিপ। তাঁর ভাষায়, এটি শুধু একটি ভাস্কর্য নয়, বরং শহরের অন্যতম পরিচিত প্রতীক।

কলিন ম্যানট্রিপ জানান, তাঁর দাদা ফ্রাঙ্ক হাডসন ১৯৫০-এর দশকে বর্তমান রেড লায়ন ভাস্কর্যটি তৈরি করেছিলেন। এর আগের ভাস্কর্যটি ১৯৪৫ সালে উইনস্টন চার্চিলের একটি ঐতিহাসিক ভাষণের সময়ও সেখানে ছিল। বর্তমানে সেই পুরোনো ভাস্কর্যটি হাই উইকম্ব মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে।

আরও পড়ুন  কাতারের উপহারের বিমান নয়, পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ফিরলেন ট্রাম্প

ম্যানট্রিপ বলেন, তিনি ইতোমধ্যে তিনবার রেড লায়ন ভাস্কর্যটি সংস্কার করেছেন। ১৯৮৭ সালের ভয়াবহ ঝড়ে ভাস্কর্যটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সেটি পুনর্নির্মাণ করেন। পরে ২০০২ সালে ভাঙচুরের পর আবারও মেরামত করেন। সর্বশেষ ২০১৭ সালে স্থানীয় গণমাধ্যম ও হাই উইকম্ব সোসাইটির উদ্যোগে এটি পুনরায় সংস্কার করা হয়।

তাঁর দাবি, গত বছর থেকেই ভাস্কর্যটির কাঠে পচন ধরার কারণে লেজটি খুলে পড়ে। তিনি নিজেই এটি মেরামতের জন্য প্রস্তাব ও খরচের হিসাব দিয়েছেন। তবে এখনও কাজ শুরু হয়নি। তাঁর মতে, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও রং করা হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না।

আরও পড়ুন  বড় ধাক্কার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্তিশালী সমাবেশ | পশ্চিমবঙ্গ শহীদ দিবস ২০২৬

বাকিংহামশায়ার কাউন্সিলের কনজারভেটিভ নেতা স্টিভেন ব্রডবেন্টও রেড লায়ন ভাস্কর্যটি দ্রুত সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার দায়িত্বে থাকলে সেটি সংরক্ষণ করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তবে কাউন্সিল জানিয়েছে, ভবনটির মালিক তারা নয়, তাই ভাস্কর্যের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের নয়। এদিকে ভবনটির সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন  তীব্র বিক্ষোভের মুখে বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা