উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষ অর্জনে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা বৃদ্ধি এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদেরও এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের দক্ষতা ও জ্ঞান বাড়াতে হবে।
বুধবার (১৩ মে) ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত আইইউটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নয়নে আইইউটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নানা ক্ষেত্রে সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে আরও গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা দেশের সুনাম বাড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় আরও সক্রিয় হতে হবে এবং নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিল্পখাত ও অর্থনীতিতে অবদান রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে। এ সময় আইইউটি ক্যাম্পাসে সৌরশক্তিভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং প্রো-উপাচার্য ড. হিসেইন আরাবি নূর। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের অধ্যাপক ড. এনায়েত উল্লাহ পাটোয়ারি স্বাগত বক্তব্য দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মুবেসা উমর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত ও দলগত মিলিয়ে মোট ১১টি ক্যাটাগরিতে ১২৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী তাদের হাতে সনদ তুলে দেন এবং ভবিষ্যতে গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।




















