ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

পাকা চুল কি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে? নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৫:২৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৯

টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় জানা গেছে, চুল পাকা শরীরের একটি প্রতিরক্ষামূলক প্রক্রিয়া, যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।ছবি- সংগ্রহীত

অনেকেই মনে করেন চুল পাকা মানেই বয়সের ছাপ বা মানসিক চাপের প্রভাব। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা এই ধারণাকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে। জাপানের University of Tokyo-এর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চুল পাকার পেছনে শরীরের একটি প্রতিরক্ষামূলক প্রক্রিয়া কাজ করতে পারে, যা ক্যান্সার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

গবেষণায় দেখা গেছে, চুলের রং তৈরির জন্য দায়ী মেলানোসাইট কোষগুলো যখন বয়স, মানসিক চাপ বা ডিএনএ ক্ষতির কারণে দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন তারা নিজেদের বিভাজন বন্ধ করে দেয়। এই প্রক্রিয়ায় কোষগুলো কার্যত ‘অবসর’ নেয়, যার ফলে চুল ধীরে ধীরে সাদা হয়ে যায়।

গবেষকদের মতে, যদি এই ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো বিভাজন চালিয়ে যেত, তাহলে তা থেকে ক্যান্সার কোষ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতো। তাই এই প্রক্রিয়াকে শরীরের এক ধরনের আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী Shige Sukeshi বলেন, চুল পাকা শুধু বার্ধক্যের লক্ষণ নয়; এটি শরীরের একটি সতর্ক সংকেতও হতে পারে। তিনি জানান, ‘সিনেসেন্স-কাপলড ডিফারেনসিয়েশন’ নামে একটি জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষগুলো বিভাজন বন্ধ করে দেয়, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চুল পাকার বিষয়টি নতুনভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এটি শরীরের ভেতরে ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের একটি ইঙ্গিত, যা আমাদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।

গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করলে কোষের ক্ষতি কমানো সম্ভব। এতে চুলের অকাল পাকা প্রতিরোধের পাশাপাশি শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমও বজায় রাখা যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ালটন চাকরি: আরএসএম পদে আবেদন চলছে

পাকা চুল কি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে? নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য

Update Time : ০৫:২৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

অনেকেই মনে করেন চুল পাকা মানেই বয়সের ছাপ বা মানসিক চাপের প্রভাব। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা এই ধারণাকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে। জাপানের University of Tokyo-এর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চুল পাকার পেছনে শরীরের একটি প্রতিরক্ষামূলক প্রক্রিয়া কাজ করতে পারে, যা ক্যান্সার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

গবেষণায় দেখা গেছে, চুলের রং তৈরির জন্য দায়ী মেলানোসাইট কোষগুলো যখন বয়স, মানসিক চাপ বা ডিএনএ ক্ষতির কারণে দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন তারা নিজেদের বিভাজন বন্ধ করে দেয়। এই প্রক্রিয়ায় কোষগুলো কার্যত ‘অবসর’ নেয়, যার ফলে চুল ধীরে ধীরে সাদা হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  নিয়মিত ব্লাড প্রেশারের ওষুধ খাচ্ছেন? কিডনির ঝুঁকি নিয়ে যা বলছে গবেষণা

গবেষকদের মতে, যদি এই ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো বিভাজন চালিয়ে যেত, তাহলে তা থেকে ক্যান্সার কোষ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতো। তাই এই প্রক্রিয়াকে শরীরের এক ধরনের আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী Shige Sukeshi বলেন, চুল পাকা শুধু বার্ধক্যের লক্ষণ নয়; এটি শরীরের একটি সতর্ক সংকেতও হতে পারে। তিনি জানান, ‘সিনেসেন্স-কাপলড ডিফারেনসিয়েশন’ নামে একটি জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষগুলো বিভাজন বন্ধ করে দেয়, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন  গরমে এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার ৬ কার্যকর উপায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চুল পাকার বিষয়টি নতুনভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এটি শরীরের ভেতরে ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের একটি ইঙ্গিত, যা আমাদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।

গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করলে কোষের ক্ষতি কমানো সম্ভব। এতে চুলের অকাল পাকা প্রতিরোধের পাশাপাশি শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমও বজায় রাখা যায়।

আরও পড়ুন  হাম মৃত্যু ছাড়াল ৬০০, নতুন আক্রান্ত আরও ৫৫