ডে ট্রেডিং সুবিধা চালুর পথে বড় অগ্রগতি হয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) একই দিনে শেয়ার কেনাবেচার বা ডে নেটিং সুবিধা চালুর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে। তবে এই সুবিধা বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ।
বিএসইসি জানিয়েছে, বাজারকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর ডে ট্রেডিং সুবিধা চালু করা হবে। কমিশনের অনুমোদনের পর এখন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তিগত ও পরিচালনাগত প্রস্তুতির কাজ শুরু করবে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ডিএস-৩০ সূচকে থাকা ভালো মানের কোম্পানিগুলোর শেয়ারে এই সুবিধা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা একই দিনে শেয়ার কিনে বিক্রি করতে পারবেন। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এতে শেয়ারের সরবরাহ ও লেনদেনের গতি বাড়বে, যা বাজারে তারল্য বৃদ্ধিতেও সহায়ক হতে পারে।
একই কমিশন সভায় দীর্ঘ বিরতির পর নতুন একটি আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রয়েল ফুটওয়্যার ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। কোম্পানিটি এই অর্থ ব্যাংকঋণ পরিশোধ, কাঁচামাল ও খুচরা যন্ত্রাংশ কেনার কাজে ব্যয় করবে।
এ ছাড়া সভায় মার্জিন ঋণ বিধিমালা সংশোধনের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালাটি জনমত যাচাইয়ের জন্য বিএসইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের মেয়াদ শেষে অবলুপ্তির সিদ্ধান্তও অনুমোদন করা হয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ডে ট্রেডিং সুবিধা চালু হলে পুঁজিবাজারে লেনদেনের গতি বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে। তবে এ সুবিধা কার্যকর করতে শক্তিশালী প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।



























