ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনসহ ১২ প্রতিষ্ঠানে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo সমালোচনায় সারা রাত কেঁদেছিলেন বিজয়, জানালেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু Logo আর্জেন্টিনা নিষিদ্ধ দাবি: ২.৩ কোটি স্বাক্ষরে বিশ্বকাপ বিতর্ক তুঙ্গে Logo পল্লবীতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা Logo মার্কিন রাজনীতিতে কতটা প্রভাবশালী ইসরাইলি লবি Logo চন্দনাইশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, মা কালি সুইটসকে জরিমানা Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ: শুক্রবার ঘোষণা নিয়ে জোরালো আলোচনা Logo স্বাস্থ্যখাতের অবক্ষয় ও বিদেশমুখী চিকিৎসা Logo খুলনা হত্যা মামলা: পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল Logo জেডি ভ্যান্সের ভ্রমণ তথ্য ফাঁস করায় সিক্রেট এজেন্ট বরখাস্ত

সমালোচনায় সারা রাত কেঁদেছিলেন বিজয়, জানালেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫২২

তামিল অভিনেতা থালাপতি বিজয়।

তামিল তারকা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়গন’ সাত মাস পিছিয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। এটিই অভিনেতা হিসেবে বিজয়ের শেষ সিনেমা। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছবিটি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দর্শকেরা। এ সময়ই সামনে এসেছে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এক আবেগঘন স্মৃতি।

সম্প্রতি অভিনেতা সঞ্জীব এক সাক্ষাৎকারে জানান, ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বিজয়ের অভিষেক সিনেমা ‘নালাইয়া থিরপু’-এর সমালোচনায় ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেতা। একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কঠোর সমালোচনার পর সারা রাত কেঁদেছিলেন তিনি।

বিহাইন্ডউডসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জীব বলেন, তখন বিজয়ের বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন তিনি। প্রথম সিনেমা নিয়েই এমন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ায় বিষয়টি সহজভাবে নিতে পারেননি।

সঞ্জীবের ভাষায়, ‘বিজয় কেঁদেছিল, অনেক কেঁদেছিল। সে সারা রাত কেঁদেছিল। কোনো নতুন অভিনেতাই প্রথম সিনেমার পর এমন সমালোচনা শুনতে চায় না, বিশেষ করে যখন তা আসে একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কাছ থেকে।’

তবে সময়ের সঙ্গে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন বিজয়। পরে সেই একই ম্যাগাজিন তাদের প্রচ্ছদে বিজয়ের ছবি প্রকাশের জন্য তাঁর অনুমতি চেয়েছিল বলেও জানান সঞ্জীব। তাঁর মতে, এটিই বিজয়ের সবচেয়ে বড় অর্জনের একটি।

এদিকে এইচ বিনোথ পরিচালিত ‘জন নায়গন’-কে বিজয়ের বিদায়ী চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। দর্শকদের অনেকেই ছবিতে বিজয়ের পর্দা উপস্থিতি, অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং আবেগঘন দৃশ্যের প্রশংসা করেছেন। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, গল্পটি পরিচিত ধাঁচের এবং প্রায় তিন ঘণ্টার দৈর্ঘ্য ছবির গতি কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনসহ ১২ প্রতিষ্ঠানে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

সমালোচনায় সারা রাত কেঁদেছিলেন বিজয়, জানালেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু

Update Time : ০১:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

তামিল তারকা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়গন’ সাত মাস পিছিয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। এটিই অভিনেতা হিসেবে বিজয়ের শেষ সিনেমা। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছবিটি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দর্শকেরা। এ সময়ই সামনে এসেছে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এক আবেগঘন স্মৃতি।

সম্প্রতি অভিনেতা সঞ্জীব এক সাক্ষাৎকারে জানান, ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বিজয়ের অভিষেক সিনেমা ‘নালাইয়া থিরপু’-এর সমালোচনায় ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেতা। একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কঠোর সমালোচনার পর সারা রাত কেঁদেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন  টিকিটের কালোবাজারি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থালাপতি বিজয়।

বিহাইন্ডউডসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জীব বলেন, তখন বিজয়ের বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন তিনি। প্রথম সিনেমা নিয়েই এমন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ায় বিষয়টি সহজভাবে নিতে পারেননি।

সঞ্জীবের ভাষায়, ‘বিজয় কেঁদেছিল, অনেক কেঁদেছিল। সে সারা রাত কেঁদেছিল। কোনো নতুন অভিনেতাই প্রথম সিনেমার পর এমন সমালোচনা শুনতে চায় না, বিশেষ করে যখন তা আসে একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কাছ থেকে।’

আরও পড়ুন  অ্যাডাল্ট সনদ নিয়েই কি অবশেষে প্রেক্ষাগৃহে আসছে বিজয়ের শেষ সিনেমা

তবে সময়ের সঙ্গে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন বিজয়। পরে সেই একই ম্যাগাজিন তাদের প্রচ্ছদে বিজয়ের ছবি প্রকাশের জন্য তাঁর অনুমতি চেয়েছিল বলেও জানান সঞ্জীব। তাঁর মতে, এটিই বিজয়ের সবচেয়ে বড় অর্জনের একটি।

এদিকে এইচ বিনোথ পরিচালিত ‘জন নায়গন’-কে বিজয়ের বিদায়ী চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। দর্শকদের অনেকেই ছবিতে বিজয়ের পর্দা উপস্থিতি, অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং আবেগঘন দৃশ্যের প্রশংসা করেছেন। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, গল্পটি পরিচিত ধাঁচের এবং প্রায় তিন ঘণ্টার দৈর্ঘ্য ছবির গতি কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন  নোরা ফাতেহির গান নিয়ে বিতর্ক! সরাসরি হাজিরার নির্দেশ