ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: আতঙ্ক নয়, বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ের আহ্বান Logo ৪৪ রাষ্ট্রীয় শিল্প ইজারা নয়, প্রতিরোধের ডাক জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল Logo ছোট আঁচড়, বড় বিপদ! পোষা প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ঝুঁকি Logo রাকসু ভিপি সাংবাদিকদের সতর্কবার্তা দিলেন Logo চট্টগ্রাম ওয়াসা: সিস্টেম লসে ৭৮ কোটি টাকার পানি Logo আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সঞ্চয়পত্র, বাড়ছে বিনিয়োগকারীর আগ্রহ Logo কুমিল্লা মাদক ধ্বংস: বিজিবির বড় অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য Logo শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার সোনার বার উদ্ধার Logo সকালের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত Logo ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা নিবাস কারাগারে, রিমান্ড শুনানি রবিবার

চট্টগ্রাম ওয়াসা: সিস্টেম লসে ৭৮ কোটি টাকার পানি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩১

চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি উৎপাদন, সরবরাহ ও সিস্টেম লস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে | ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম ওয়াসা আবারও বড় অঙ্কের পানির বিল থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, উৎপাদিত পানির একটি বড় অংশ গ্রাহকের বিলের আওতায় আসবে না। সব মিলিয়ে এবার প্রায় ৭৮ কোটি টাকার পানির আর্থিক মূল্য সিস্টেম লস হিসেবে চলে যেতে পারে। এর আগে দুই অর্থবছরেও বিল না হওয়া পানির কারণে সংস্থাটির রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ১৬৭ কোটি টাকার বেশি। ফলে একদিকে নগরবাসীকে নিয়মিত পানির বিল পরিশোধের তাগিদ দেওয়া হলেও অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ পানি বিল ছাড়াই বিতরণব্যবস্থা থেকে হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের হিসাব বলছে, ছয়টি পানি শোধনাগার থেকে প্রায় ২ লাখ ৭৫০ মেগালিটার পানি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এক মেগালিটার সমান ১০ লাখ লিটার। সেই হিসাবে মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার ৭৫ কোটি লিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার ৬০ মেগালিটার পানির বিল করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি প্রায় ৪০ হাজার ১৫ মেগালিটার বা ৪ হাজার ১৫ কোটি লিটার পানি সিস্টেম লস হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১ কোটি লিটার পানি বিলের হিসাবের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার পাইপলাইনে লিকেজ
পানির বিল আদায় ও রাজস্ব ক্ষতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে | ছবি: সংগৃহীত

এই বিপুল পানির আর্থিক মূল্যও কম নয়। চট্টগ্রাম ওয়াসা আবাসিক গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটার বা এক হাজার লিটার পানি ১৮ টাকা এবং অনাবাসিক গ্রাহকদের কাছে ৩৭ টাকা দরে বিক্রি করে। ওয়াসার হিসাব অনুযায়ী, এবার বিলের বাইরে থাকা পানির আবাসিক অংশের মূল্য প্রায় ৬৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। অনাবাসিক অংশের মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে সিস্টেম লসের সম্ভাব্য আর্থিক মূল্য দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৭৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এরই মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৪ হাজার ৮১৮ কোটি লিটার পানি বিলের আওতার বাইরে ছিল। ওই পানির আবাসিক মূল্য ধরা হয়েছিল ৮৬ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তার আগের অর্থবছরে আরও প্রায় ৮০ কোটি ৫৬ লাখ টাকার পানির বিল হয়নি।

চট্টগ্রাম ওয়াসা বলছে, পাইপলাইনের লিকেজ, পানির চুরি, অবৈধ সংযোগ, মিটার পরিদর্শনে অনিয়ম এবং রাস্তার কল থেকে পানি অপচয়সহ বিভিন্ন কারণে সিস্টেম লস বাড়ছে। নতুন প্রকল্পের কারণে পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় কিছু পাইপলাইনে লিকেজও তৈরি হয়েছে বলে বাজেট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে নন-রেভিনিউ ওয়াটারের হার ২২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। এই হার কমাতে টেলিমিটারিং, সরবরাহ নেটওয়ার্ককে ডিস্ট্রিক্ট মিটারড এরিয়ায় (ডিএমএ) ভাগ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সিসিটিভি নজরদারিসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

শহরে পানির সংযোগের সংখ্যাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম ওয়াসার মোট পাইপলাইন প্রায় ৯৬২ কিলোমিটার। পারিবারিক সংযোগ রয়েছে ৯২ হাজার ২৭২টি। পাশাপাশি বাণিজ্যিক সংযোগের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২১০টিতে। তবে এখনো মিটারের বাইরে থাকা ১০১টি পানির সংযোগ রয়েছে বলে বাজেটের তথ্য থেকে জানা গেছে। ফলে পানির সরবরাহ ব্যবস্থায় কোথায় কত পানি যাচ্ছে এবং তার কতটা গ্রাহকের বিলের আওতায় আসছে—এটি সঠিকভাবে নিরূপণ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নতুন পাইপলাইন স্থাপন করলেই হবে না; পুরোনো নেটওয়ার্কের রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত পরিদর্শনও নিশ্চিত করতে হবে।

পানি অপচয় ও সিস্টেম লস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরাও। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান মুহম্মদ রশিদুল হাসানের মতে, যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়া নতুন পাইপলাইন স্থাপনের কারণেও লিকেজ তৈরি হতে পারে। তার দাবি, অতীতে সিস্টেম লস কমানোর প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। অন্যদিকে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম জানিয়েছেন, সিস্টেম লস কমাতে নিয়মিত সভায় আলোচনা হচ্ছে এবং পানির চুরি ও অপচয় বন্ধে প্রকৌশলী ও মাঠকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পাইপলাইনের ত্রুটির কারণে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সিস্টেম লস কমানো যাচ্ছে না। এখন প্রশ্ন হলো, কোটি কোটি টাকার পানির এই ক্ষতি কমাতে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়। নগরবাসীর পানির বিল আদায়ের পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার অপচয় ও লিকেজ বন্ধ করা গেলে একদিকে রাজস্ব বাড়বে, অন্যদিকে সীমিত পানিসম্পদেরও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: আতঙ্ক নয়, বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ের আহ্বান

চট্টগ্রাম ওয়াসা: সিস্টেম লসে ৭৮ কোটি টাকার পানি

Update Time : ১১:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম ওয়াসা আবারও বড় অঙ্কের পানির বিল থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, উৎপাদিত পানির একটি বড় অংশ গ্রাহকের বিলের আওতায় আসবে না। সব মিলিয়ে এবার প্রায় ৭৮ কোটি টাকার পানির আর্থিক মূল্য সিস্টেম লস হিসেবে চলে যেতে পারে। এর আগে দুই অর্থবছরেও বিল না হওয়া পানির কারণে সংস্থাটির রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ১৬৭ কোটি টাকার বেশি। ফলে একদিকে নগরবাসীকে নিয়মিত পানির বিল পরিশোধের তাগিদ দেওয়া হলেও অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ পানি বিল ছাড়াই বিতরণব্যবস্থা থেকে হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের হিসাব বলছে, ছয়টি পানি শোধনাগার থেকে প্রায় ২ লাখ ৭৫০ মেগালিটার পানি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এক মেগালিটার সমান ১০ লাখ লিটার। সেই হিসাবে মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার ৭৫ কোটি লিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার ৬০ মেগালিটার পানির বিল করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি প্রায় ৪০ হাজার ১৫ মেগালিটার বা ৪ হাজার ১৫ কোটি লিটার পানি সিস্টেম লস হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১ কোটি লিটার পানি বিলের হিসাবের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ডেঙ্গু হেমোরেজিক ঝুঁকি বাড়ছে, ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রাম ওয়াসার পাইপলাইনে লিকেজ
পানির বিল আদায় ও রাজস্ব ক্ষতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে | ছবি: সংগৃহীত

এই বিপুল পানির আর্থিক মূল্যও কম নয়। চট্টগ্রাম ওয়াসা আবাসিক গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটার বা এক হাজার লিটার পানি ১৮ টাকা এবং অনাবাসিক গ্রাহকদের কাছে ৩৭ টাকা দরে বিক্রি করে। ওয়াসার হিসাব অনুযায়ী, এবার বিলের বাইরে থাকা পানির আবাসিক অংশের মূল্য প্রায় ৬৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। অনাবাসিক অংশের মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে সিস্টেম লসের সম্ভাব্য আর্থিক মূল্য দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৭৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এরই মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৪ হাজার ৮১৮ কোটি লিটার পানি বিলের আওতার বাইরে ছিল। ওই পানির আবাসিক মূল্য ধরা হয়েছিল ৮৬ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তার আগের অর্থবছরে আরও প্রায় ৮০ কোটি ৫৬ লাখ টাকার পানির বিল হয়নি।

চট্টগ্রাম ওয়াসা বলছে, পাইপলাইনের লিকেজ, পানির চুরি, অবৈধ সংযোগ, মিটার পরিদর্শনে অনিয়ম এবং রাস্তার কল থেকে পানি অপচয়সহ বিভিন্ন কারণে সিস্টেম লস বাড়ছে। নতুন প্রকল্পের কারণে পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় কিছু পাইপলাইনে লিকেজও তৈরি হয়েছে বলে বাজেট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে নন-রেভিনিউ ওয়াটারের হার ২২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। এই হার কমাতে টেলিমিটারিং, সরবরাহ নেটওয়ার্ককে ডিস্ট্রিক্ট মিটারড এরিয়ায় (ডিএমএ) ভাগ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সিসিটিভি নজরদারিসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন  মে মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ

শহরে পানির সংযোগের সংখ্যাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম ওয়াসার মোট পাইপলাইন প্রায় ৯৬২ কিলোমিটার। পারিবারিক সংযোগ রয়েছে ৯২ হাজার ২৭২টি। পাশাপাশি বাণিজ্যিক সংযোগের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২১০টিতে। তবে এখনো মিটারের বাইরে থাকা ১০১টি পানির সংযোগ রয়েছে বলে বাজেটের তথ্য থেকে জানা গেছে। ফলে পানির সরবরাহ ব্যবস্থায় কোথায় কত পানি যাচ্ছে এবং তার কতটা গ্রাহকের বিলের আওতায় আসছে—এটি সঠিকভাবে নিরূপণ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নতুন পাইপলাইন স্থাপন করলেই হবে না; পুরোনো নেটওয়ার্কের রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত পরিদর্শনও নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন  অসুস্থ হান্নান মোল্লার খোঁজ নিতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সফর

পানি অপচয় ও সিস্টেম লস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরাও। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান মুহম্মদ রশিদুল হাসানের মতে, যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়া নতুন পাইপলাইন স্থাপনের কারণেও লিকেজ তৈরি হতে পারে। তার দাবি, অতীতে সিস্টেম লস কমানোর প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। অন্যদিকে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম জানিয়েছেন, সিস্টেম লস কমাতে নিয়মিত সভায় আলোচনা হচ্ছে এবং পানির চুরি ও অপচয় বন্ধে প্রকৌশলী ও মাঠকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পাইপলাইনের ত্রুটির কারণে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সিস্টেম লস কমানো যাচ্ছে না। এখন প্রশ্ন হলো, কোটি কোটি টাকার পানির এই ক্ষতি কমাতে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়। নগরবাসীর পানির বিল আদায়ের পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার অপচয় ও লিকেজ বন্ধ করা গেলে একদিকে রাজস্ব বাড়বে, অন্যদিকে সীমিত পানিসম্পদেরও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।