ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চীনের ক্ষোভ, ‘প্রয়োজনীয় জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা Logo ডাক অধিদপ্তরের সব কার্যালয় ও ডাকঘর এখন তামাকমুক্ত Logo জেন-জি ভাষা: ভারতের সংসদে ভাইরাল ট্রেন্ডের চমকপ্রদ ব্যবহার ২০২৬ Logo Claude চ্যাট প্রাইভেসি: কীভাবে ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রাখবেন Logo ফিফার নতুন বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, সদস্যদের ৪ কোটি ডলারের প্রস্তাব Logo প্রাচীন মানুষের পদচিহ্নে মিলল ১৪ লাখ বছরের পুরোনো নতুন তথ্য Logo জাপানের জনসংখ্যা ১২ কোটির নিচে: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জন্মহার সংকট Logo জরুরি আপডেট: গভীর নিম্নচাপ দুর্বল, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল Logo সেদ্ধ ডিম নাকি ভাজি, ওজন কমাতে কোনটি বেশি কার্যকর? Logo চন্দনাইশে দুর্গাপূজা ২০২৬: মন্দিরের তালিকা উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রদান

জেন-জি ভাষা: ভারতের সংসদে ভাইরাল ট্রেন্ডের চমকপ্রদ ব্যবহার ২০২৬

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৩

ভারতের সংসদে জেন-জি ভাষার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত

জেন-জি ভাষা এখন শুধু সোশ্যাল মিডিয়া বা তরুণদের আড্ডাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ভারতের সংসদেও এই নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় শব্দের ব্যবহার শুরু হয়েছে। চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যরা বক্তৃতার সময় এমন সব শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা এতদিন মূলত ইনস্টাগ্রাম, মিম সংস্কৃতি এবং অনলাইন কমিউনিটিতেই বেশি পরিচিত ছিল।

এবারের আলোচনায় শোনা গেছে ‘ডেলুলু’, ‘ক্লক ইট’, ‘এফওএমও’, ‘এমআইএ’ এবং ‘কুচু-পুচু’র মতো বহুল আলোচিত শব্দ। এসব শব্দের মাধ্যমে নেতারা নিজেদের বক্তব্যকে আরও আকর্ষণীয় ও সমসাময়িক করে তুলতে চেয়েছেন। ফলে সংসদের ভাষায় ডিজিটাল সংস্কৃতির প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বিরোধী দলকে কটাক্ষ করতে গিয়ে বলেন, বিরোধী দলের নেতা দীর্ঘ সময় ‘এমআইএ’ বা ‘মিসিং ইন অ্যাকশন’ ছিলেন। পরে ‘এফওএমও’ অর্থাৎ ‘ফিয়ার অব মিসিং আউট’-এর কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিতে বাধ্য হন বলে মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ বাঁশুরি স্বরাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন সমস্যাকে সঠিকভাবে ‘ক্লক ইট’ করেছেন, অর্থাৎ দ্রুত শনাক্ত করে কার্যকর সমাধান বের করেছেন। একই অধিবেশনে তেজস্বী সূর্য বিরোধীদের উদ্দেশে ‘ডেলুলু’ শব্দ ব্যবহার করে তাদের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে মন্তব্য করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ করতে নেতারা এখন জনপ্রিয় অনলাইন ভাষা ব্যবহার করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া শব্দ সংসদে পৌঁছে যাওয়ায় রাজনীতির ভাষাতেও নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এতে সংসদের আলোচনা তরুণদের কাছেও আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে জেন-জি ভাষা আরও বেশি রাজনৈতিক বক্তব্যে দেখা যেতে পারে। তবে কেউ এটিকে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত বলছেন, আবার কেউ সংসদের গাম্ভীর্যের সঙ্গে এমন ভাষার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবুও একটি বিষয় পরিষ্কার—ডিজিটাল যুগের ভাষা এখন দেশের সর্বোচ্চ আইনসভাতেও জায়গা করে নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চীনের ক্ষোভ, ‘প্রয়োজনীয় জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা

জেন-জি ভাষা: ভারতের সংসদে ভাইরাল ট্রেন্ডের চমকপ্রদ ব্যবহার ২০২৬

Update Time : ১১:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

জেন-জি ভাষা এখন শুধু সোশ্যাল মিডিয়া বা তরুণদের আড্ডাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ভারতের সংসদেও এই নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় শব্দের ব্যবহার শুরু হয়েছে। চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যরা বক্তৃতার সময় এমন সব শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা এতদিন মূলত ইনস্টাগ্রাম, মিম সংস্কৃতি এবং অনলাইন কমিউনিটিতেই বেশি পরিচিত ছিল।

এবারের আলোচনায় শোনা গেছে ‘ডেলুলু’, ‘ক্লক ইট’, ‘এফওএমও’, ‘এমআইএ’ এবং ‘কুচু-পুচু’র মতো বহুল আলোচিত শব্দ। এসব শব্দের মাধ্যমে নেতারা নিজেদের বক্তব্যকে আরও আকর্ষণীয় ও সমসাময়িক করে তুলতে চেয়েছেন। ফলে সংসদের ভাষায় ডিজিটাল সংস্কৃতির প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

আরও পড়ুন  কোয়েল মল্লিক রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন, রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বিরোধী দলকে কটাক্ষ করতে গিয়ে বলেন, বিরোধী দলের নেতা দীর্ঘ সময় ‘এমআইএ’ বা ‘মিসিং ইন অ্যাকশন’ ছিলেন। পরে ‘এফওএমও’ অর্থাৎ ‘ফিয়ার অব মিসিং আউট’-এর কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিতে বাধ্য হন বলে মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ বাঁশুরি স্বরাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন সমস্যাকে সঠিকভাবে ‘ক্লক ইট’ করেছেন, অর্থাৎ দ্রুত শনাক্ত করে কার্যকর সমাধান বের করেছেন। একই অধিবেশনে তেজস্বী সূর্য বিরোধীদের উদ্দেশে ‘ডেলুলু’ শব্দ ব্যবহার করে তাদের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  বড় ধাক্কার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্তিশালী সমাবেশ | পশ্চিমবঙ্গ শহীদ দিবস ২০২৬

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ করতে নেতারা এখন জনপ্রিয় অনলাইন ভাষা ব্যবহার করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া শব্দ সংসদে পৌঁছে যাওয়ায় রাজনীতির ভাষাতেও নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এতে সংসদের আলোচনা তরুণদের কাছেও আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে জেন-জি ভাষা আরও বেশি রাজনৈতিক বক্তব্যে দেখা যেতে পারে। তবে কেউ এটিকে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত বলছেন, আবার কেউ সংসদের গাম্ভীর্যের সঙ্গে এমন ভাষার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবুও একটি বিষয় পরিষ্কার—ডিজিটাল যুগের ভাষা এখন দেশের সর্বোচ্চ আইনসভাতেও জায়গা করে নিয়েছে।

আরও পড়ুন  প্রেমের টানে চীনা নাগরিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, ধর্মান্তরিত হয়ে করলেন বিয়ে