ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিসরে হামাস নেতাদের সঙ্গে কুশনারের গোপন বৈঠক

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:২৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৮

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে হামাস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন জ্যারেড কুশনার।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখা ও শান্তি পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে হামাস নেতাদের সঙ্গে বিরল বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও দূত জ্যারেড কুশনার। রবিবার মিসরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ ও সামরিক অবকাঠামো ত্যাগের বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

গত বছরের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির পর হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কুশনারের এটিই প্রথম বৈঠক। ট্রাম্প প্রশাসনের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে যেতে হামাস ও ইসরায়েল—উভয় পক্ষের ওপর চাপ তৈরির অংশ হিসেবেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে কুশনারের সঙ্গে ছিলেন বোর্ড অব পিসের উচ্চ প্রতিনিধি নিকোলাই ম্লাদেনভ এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। হামাসের পক্ষে অংশ নেন রাজনৈতিক নেতা খলিল আল-হাইয়া। এছাড়া মিসর, কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধিরাও আলোচনায় ছিলেন।

আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল গাজাকে নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তব ও যাচাইযোগ্য করা যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাসকে শাসনক্ষমতা একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রশাসনেও সংগঠনটির কোনো ভূমিকা না রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

শান্তি পরিকল্পনায় হামাসের অস্ত্র ও সামরিক অবকাঠামো নিষ্ক্রিয় করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা বাহিনীকে গাজায় কাজ করার সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে ত্রাণ সরবরাহ ও পুনর্গঠন কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরু করলে ইসরায়েলকেও গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে বলে আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গাজায় মানবিক সহায়তা আরও দ্রুত পৌঁছানোর বিষয়টিও পরিকল্পনার অংশ।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, হামাসকে শাসনক্ষমতা, অস্ত্র ও সামরিক অবকাঠামো ছাড়তে হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে গাজা থেকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি তৈরি না হওয়ার নিশ্চয়তা চায় ট্রাম্প প্রশাসন।

এদিকে সোমবার ইসরায়েল সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে কুশনারের। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে শান্তি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিসরে হামাস নেতাদের সঙ্গে কুশনারের গোপন বৈঠক

Update Time : ১১:২৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখা ও শান্তি পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে হামাস নেতাদের সঙ্গে বিরল বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও দূত জ্যারেড কুশনার। রবিবার মিসরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ ও সামরিক অবকাঠামো ত্যাগের বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

গত বছরের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির পর হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কুশনারের এটিই প্রথম বৈঠক। ট্রাম্প প্রশাসনের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে যেতে হামাস ও ইসরায়েল—উভয় পক্ষের ওপর চাপ তৈরির অংশ হিসেবেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন  নেইমারের ফিটনেস আপডেট নিয়ে আনচেলত্তির অবিশ্বাস্য ও বিস্ফোরক ঘোষণা

বৈঠকে কুশনারের সঙ্গে ছিলেন বোর্ড অব পিসের উচ্চ প্রতিনিধি নিকোলাই ম্লাদেনভ এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। হামাসের পক্ষে অংশ নেন রাজনৈতিক নেতা খলিল আল-হাইয়া। এছাড়া মিসর, কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধিরাও আলোচনায় ছিলেন।

আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল গাজাকে নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তব ও যাচাইযোগ্য করা যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাসকে শাসনক্ষমতা একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রশাসনেও সংগঠনটির কোনো ভূমিকা না রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

আরও পড়ুন  সাংসদ পদ ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, এবার কি বিজেপিতে টলিউড নায়িকা?

শান্তি পরিকল্পনায় হামাসের অস্ত্র ও সামরিক অবকাঠামো নিষ্ক্রিয় করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা বাহিনীকে গাজায় কাজ করার সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে ত্রাণ সরবরাহ ও পুনর্গঠন কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরু করলে ইসরায়েলকেও গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে বলে আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গাজায় মানবিক সহায়তা আরও দ্রুত পৌঁছানোর বিষয়টিও পরিকল্পনার অংশ।

আরও পড়ুন  ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ দাবি: বড় অচলাবস্থায় মোদি সরকারের কঠোর অবস্থান

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, হামাসকে শাসনক্ষমতা, অস্ত্র ও সামরিক অবকাঠামো ছাড়তে হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে গাজা থেকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি তৈরি না হওয়ার নিশ্চয়তা চায় ট্রাম্প প্রশাসন।

এদিকে সোমবার ইসরায়েল সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে কুশনারের। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে শান্তি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি।