স্বর্ণের দাম আবারও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। টানা তিন দফা কমার পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দর ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে প্রায় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সকাল ১০টা থেকে নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
স্বর্ণের দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার বাজারদর বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে বাজুস। সংগঠনটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন দর অনুযায়ী ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ২০ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন তালিকায় ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৯ হাজার ৪৩৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ১৬ হাজার ৬৮৫ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৬৩০ টাকা। ফলে বিভিন্ন মানের স্বর্ণ কিনতে আগ্রহী গ্রাহকদের আগের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।
স্বর্ণের দাম বাড়ার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ৪৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪২৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ৩৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি গ্রামের নতুন দাম ২৭৫ টাকা। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই দাম কার্যকর থাকবে।
তবে কয়েক দিনের ব্যবধানেই স্বর্ণের বাজারে দামের পরিবর্তন এসেছে। এর আগে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। তার আগের দিনগুলোতেও কয়েক দফায় দাম কমানো হয়েছিল। ২৯ আগস্ট ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমেছিল। এরপর ৩১ আগস্ট ও ২ সেপ্টেম্বরও দাম কমানো হয়। এর এক দিন পরই আবার বাড়ানো হলো স্বর্ণের দাম।
অলংকার কেনার ক্ষেত্রে শুধু স্বর্ণের নির্ধারিত দামই নয়, নকশা অনুযায়ী মজুরির বিষয়টিও প্রযোজ্য হবে। বাজুস জানিয়েছে, বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। স্বর্ণ ও রুপার অলংকার কেনাবেচা এবং বিনিময়ের ক্ষেত্রে আগের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য সংক্রান্ত বিধান কার্যকর থাকবে। ফলে গয়না কেনার আগে গ্রাহকদের বর্তমান বাজারদরের পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রযোজ্য খরচ সম্পর্কেও জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।




























