ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জে পানির ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় অগ্রগতি Logo ঢাকা আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার, গুরুত্ব পাবে শিশু কল্যাণ ও শিক্ষা Logo ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ৮ নিহত, দুর্গম জঙ্গলে বিধ্বস্ত Logo কক্সবাজারে বৃষ্টির ধাক্কা, কম দামে বিপাকে ৪২ হাজার লবণচাষি Logo ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ৮ আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo শিশুর শরীরে কালো দাগ কেন হয়? অ্যাকাথোসিস নিগ্রিক্যানস ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি জানুন Logo আয়োকিগাহারা ফরেস্ট: জাপানের রহস্যময় ‘সুইসাইড ফরেস্ট’ এর অজানা সত্য Logo মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিতে তেলের দামে নিম্নগতি Logo ইরানের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের ইঙ্গিত

রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ছেন? ডেকে আনছেন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

  • Afroza Joba
  • Update Time : ০৯:৫০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩২

সুস্থ থাকতে খাবার ও ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা গ্যাপ রাখুন।

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দিনের ক্লান্তি শেষে রাতের খাবার খেয়েই দ্রুত বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনার শরীরের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা কি জানেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের খাবার খেয়ে সাথে সাথে ঘুমানো শরীরের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে, যা থেকে স্ট্রোক পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কেন সাথে সাথে ঘুমানো বিপজ্জনক?

১. হজমে মারাত্মক বিঘ্ন: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। নিউট্রিশনিস্ট রূপালী দত্তের মতে, এর ফলে খাবার অন্ত্রের দেয়ালে বাধা পায়, যা থেকে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং তীব্র বুকজ্বালা দেখা দেয়।

২. ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিজম: আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা সূর্যের গতিবিধির সাথে সম্পর্কযুক্ত। রাতের দিকে এটি এমনিতেই কমে যায়। ফলে দেরি করে খেলে বা খাওয়ার পর না হাঁটলে সেই ক্যালরি বার্ন হয় না এবং তা চর্বি বা ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমতে থাকে।

৩. ঘুমের ব্যাঘাত: বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঘুমালে শরীরে শক্তির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যা গভীর ঘুমে বাধা সৃষ্টি করে। অপর্যাপ্ত ঘুম আবার ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

৪. স্ট্রোকের ঝুঁকি: গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের বদহজম ও অ্যাসিডিটির ফলে স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে। এর ফলে রক্তে কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।

কখন ঘুমানো উচিত? চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতের খাবার এবং ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা ব্যবধান থাকা জরুরি। এই সময়ের মধ্যে খাবার অনেকটা হজম হয়ে যায় এবং শরীরের মেটাবলিজম ঠিক থাকে, যা আপনাকে স্লিপ ডিসঅর্ডার ও স্থূলতা থেকে রক্ষা করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে পানির ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ছেন? ডেকে আনছেন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

Update Time : ০৯:৫০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দিনের ক্লান্তি শেষে রাতের খাবার খেয়েই দ্রুত বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনার শরীরের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা কি জানেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের খাবার খেয়ে সাথে সাথে ঘুমানো শরীরের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে, যা থেকে স্ট্রোক পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কেন সাথে সাথে ঘুমানো বিপজ্জনক?

১. হজমে মারাত্মক বিঘ্ন: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। নিউট্রিশনিস্ট রূপালী দত্তের মতে, এর ফলে খাবার অন্ত্রের দেয়ালে বাধা পায়, যা থেকে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং তীব্র বুকজ্বালা দেখা দেয়।

২. ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিজম: আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা সূর্যের গতিবিধির সাথে সম্পর্কযুক্ত। রাতের দিকে এটি এমনিতেই কমে যায়। ফলে দেরি করে খেলে বা খাওয়ার পর না হাঁটলে সেই ক্যালরি বার্ন হয় না এবং তা চর্বি বা ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমতে থাকে।

৩. ঘুমের ব্যাঘাত: বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঘুমালে শরীরে শক্তির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যা গভীর ঘুমে বাধা সৃষ্টি করে। অপর্যাপ্ত ঘুম আবার ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

৪. স্ট্রোকের ঝুঁকি: গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের বদহজম ও অ্যাসিডিটির ফলে স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে। এর ফলে রক্তে কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।

কখন ঘুমানো উচিত? চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতের খাবার এবং ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা ব্যবধান থাকা জরুরি। এই সময়ের মধ্যে খাবার অনেকটা হজম হয়ে যায় এবং শরীরের মেটাবলিজম ঠিক থাকে, যা আপনাকে স্লিপ ডিসঅর্ডার ও স্থূলতা থেকে রক্ষা করবে।