ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি রেকর্ড: ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিক্রি, জানুন চমকপ্রদ তথ্য Logo চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক জোন উদ্বোধন, বিনিয়োগে জোর অর্থমন্ত্রীর Logo বিবিএস রিপোর্ট: ৬৫% ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নেই, বাড়ছে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ Logo ফিট থাকতে জিম নয়, কী করেন জয়া আহসান? Logo গ্যাস সংযোগ বন্ধে বড় ধাক্কা, অনিশ্চয়তায় শিল্প খাতের নতুন বিনিয়োগ Logo ভবন নির্মাণে পাহাড় কাটা হচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, উঠেছে প্রশ্ন Logo এনভিডিয়ার বিশাল সহায়তা: ওপেনএআই ডেটা সেন্টারে ২৫০ বিলিয়ন ডলারের নতুন পরিকল্পনা Logo চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। Logo চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুর রহমান এর সাথে সদ্য মনোনীত চন্দনাইশ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হকের শুভেচ্ছা বিনিময় Logo এক মাস সাগরে ভেসে থাকা শ্রীলঙ্কান বাবা-ছেলে ঢাকায় যাচ্ছে

বিবিএস রিপোর্ট: ৬৫% ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নেই, বাড়ছে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:১৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৯

বিবিএসের শুমারিতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নিয়ে উঠে এসেছে নতুন চিত্র। ছবি: সংগৃহীত

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ অর্থনৈতিক শুমারিতে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। দেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের কোনো ধরনের নিবন্ধন নেই। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির বাইরে থেকে ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং ব্যাংকঋণ, সরকারি প্রণোদনা ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বিবিএসের ‘জাতীয় অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪’ অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৩ সালে যেখানে অর্থনৈতিক ইউনিট ছিল ৭৮ লাখের কিছু বেশি, সেখানে ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখে। এর মধ্যে প্রায় ৭৬ লাখ প্রতিষ্ঠান অনিবন্ধিত, ৩৩ লাখ নিবন্ধিত এবং প্রায় সাড়ে ৮ লাখ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা নেই।

সংখ্যায় কম হলেও দেশের কর্মসংস্থান ও আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের অবদান সবচেয়ে বেশি। মোট প্রতিষ্ঠানের মাত্র ২৮ শতাংশ নিবন্ধিত হলেও এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয়েছে দেশের প্রায় ৫৪ শতাংশ মানুষের। অন্যদিকে ৬৫ শতাংশ অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন মাত্র ৩৭ শতাংশ কর্মী। এতে স্পষ্ট, বড় শিল্প ও সংগঠিত ব্যবসাগুলো অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শুমারিতে আরও দেখা গেছে, দেশের মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের প্রায় ৬৩ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। তবে শহরের প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক বড় হওয়ায় সেখানে প্রতি প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান বেশি। গ্রামে অনিবন্ধিত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সংখ্যা বেশি হলেও সেগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলনামূলক সীমিত।

ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মতে, নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা, ডিজিটাল ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু, স্বল্প সুদে জামানতমুক্ত ঋণ এবং ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য কর-সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে আরও বেশি প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিক খাতে আসবে। এতে একদিকে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, অন্যদিকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও ব্যাংকঋণ, বিনিয়োগ ও সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি রেকর্ড: ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিক্রি, জানুন চমকপ্রদ তথ্য

বিবিএস রিপোর্ট: ৬৫% ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নেই, বাড়ছে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

Update Time : ১১:১৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ অর্থনৈতিক শুমারিতে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। দেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের কোনো ধরনের নিবন্ধন নেই। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির বাইরে থেকে ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং ব্যাংকঋণ, সরকারি প্রণোদনা ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বিবিএসের ‘জাতীয় অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪’ অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৩ সালে যেখানে অর্থনৈতিক ইউনিট ছিল ৭৮ লাখের কিছু বেশি, সেখানে ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখে। এর মধ্যে প্রায় ৭৬ লাখ প্রতিষ্ঠান অনিবন্ধিত, ৩৩ লাখ নিবন্ধিত এবং প্রায় সাড়ে ৮ লাখ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা নেই।

আরও পড়ুন  দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

সংখ্যায় কম হলেও দেশের কর্মসংস্থান ও আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের অবদান সবচেয়ে বেশি। মোট প্রতিষ্ঠানের মাত্র ২৮ শতাংশ নিবন্ধিত হলেও এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয়েছে দেশের প্রায় ৫৪ শতাংশ মানুষের। অন্যদিকে ৬৫ শতাংশ অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন মাত্র ৩৭ শতাংশ কর্মী। এতে স্পষ্ট, বড় শিল্প ও সংগঠিত ব্যবসাগুলো অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন  দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস

শুমারিতে আরও দেখা গেছে, দেশের মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের প্রায় ৬৩ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। তবে শহরের প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক বড় হওয়ায় সেখানে প্রতি প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান বেশি। গ্রামে অনিবন্ধিত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সংখ্যা বেশি হলেও সেগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলনামূলক সীমিত।

ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মতে, নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা, ডিজিটাল ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু, স্বল্প সুদে জামানতমুক্ত ঋণ এবং ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য কর-সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে আরও বেশি প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিক খাতে আসবে। এতে একদিকে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, অন্যদিকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও ব্যাংকঋণ, বিনিয়োগ ও সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ ব্যাংকে নগদ জমা রাখতে ব্যর্থ ইসলামী ব্যাংক, বাড়ছে সংকট