ফারুকী-তিশার বিচ্ছেদ গুঞ্জন নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা। নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া এসব খবরকে উড়িয়ে দিয়েছেন ফারুকী। তাঁর ভাষ্য, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রচারিত নানা খবরের বিষয়ে তাঁরা কেউই মন্তব্য করতে চান না।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে ফারুকী জানান, তাঁকে ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা ধরনের প্রচারণা ও মিথ্যা খবর ছড়ানো হচ্ছে। এখন বিষয়টি ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এসব আলোচনা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলে গুঞ্জনকে আরও বাড়াতে চান না এই নির্মাতা।

ফারুকীর মতে, কোনো খবর মিথ্যা হলে তা প্রচার করলেই সত্য হয়ে যায় না। এ ধরনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো মানে অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় আলোচনাকে উৎসাহিত করা। তাই বিচ্ছেদ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরের বিষয়ে তিনি কিংবা তিশা কেউই মন্তব্য করতে আগ্রহী নন।

এদিকে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা চললেও পেশাগত কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিশা। নতুন একটি আন্তর্জাতিক সিনেমায় অভিনয়ের বিষয়ে তিনি বৈঠক করছেন বলে জানিয়েছেন ফারুকী। তবে সিনেমাটির নাম, গল্প কিংবা অন্যান্য শিল্পী সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি তিনি। সবকিছু চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান এই নির্মাতা।

অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনার ক্ষেত্রেও নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন তিশা। সম্প্রতি তিনি ‘ফুলস্ক্রিন’ নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কী ধরনের কাজ দর্শকদের সামনে আসবে, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বিনোদন অঙ্গনে।

অন্যদিকে, ফারুকীও নিজের নির্মাণকাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি তিনটি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করছেন। পাশাপাশি চলছে নতুন সিনেমার চিত্রনাট্য লেখার কাজ। এর মধ্যে একটি সিনেমার সম্ভাব্য নাম রেখেছেন ‘টু হেল, উইথ লাভ’।

এ ছাড়া সমসাময়িক রাজনৈতিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে আরেকটি সিনেমার গল্প তৈরি করছেন ফারুকী। তবে এই সিনেমার নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। গল্প ও নির্মাণের প্রস্তুতি শেষ হলে প্রকল্পটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যেতে পারে।

সব মিলিয়ে, ফারুকী ও তিশার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের মধ্যে দুজনই নিজেদের পেশাগত কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। বিচ্ছেদ নিয়ে প্রচারিত খবরের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য না দিয়ে ফারুকী বরং ব্যক্তিগত বিষয়কে আলোচনার বাইরে রাখার অবস্থান জানিয়েছেন। তাই গুঞ্জনকে সত্য ধরে নেওয়ার আগে নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য অপেক্ষা করাই শ্রেয়।