বর্তমান সময়ে শিশুদের জীবনে স্মার্টফোন, ভিডিও, গেমিং ও অনলাইন ক্লাস যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব শুধু আচরণ বা মনোযোগেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি শিশুদের শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে।
Journal of the American Heart Association-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, অবসর সময়ের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার শিশু ও কিশোরদের কার্ডিওমেটাবলিক ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অর্থাৎ হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও বিপাকজনিত সমস্যার সম্ভাবনা বাড়ে।
গবেষণায় ডেনমার্কের এক হাজারের বেশি মা ও শিশু-কিশোরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, স্ক্রিন ব্যবহারের প্রতিটি অতিরিক্ত ঘণ্টা শিশুদের স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং কিশোরদের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা আরও বেশি।
বিশেষভাবে ঘুমের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উঠে এসেছে। যেসব শিশু পর্যাপ্ত ঘুমায় না, তাদের ক্ষেত্রে স্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়ে। ঘুমের অভাব শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে এবং হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
গবেষণায় আরও কিছু বায়োমার্কারের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে দীর্ঘদিন অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারে শরীরে বিপাকীয় সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং ভবিষ্যতে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বর্তমান সময়ে শিশুদের জীবনে স্মার্টফোন, ভিডিও, গেমিং ও অনলাইন ক্লাস যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব শুধু আচরণ বা মনোযোগেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি শিশুদের শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে।
Journal of the American Heart Association-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, অবসর সময়ের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার শিশু ও কিশোরদের কার্ডিওমেটাবলিক ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অর্থাৎ হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও বিপাকজনিত সমস্যার সম্ভাবনা বাড়ে।
গবেষণায় ডেনমার্কের এক হাজারের বেশি মা ও শিশু-কিশোরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, স্ক্রিন ব্যবহারের প্রতিটি অতিরিক্ত ঘণ্টা শিশুদের স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং কিশোরদের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা আরও বেশি।
বিশেষভাবে ঘুমের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উঠে এসেছে। যেসব শিশু পর্যাপ্ত ঘুমায় না, তাদের ক্ষেত্রে স্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়ে। ঘুমের অভাব শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে এবং হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
গবেষণায় আরও কিছু বায়োমার্কারের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে দীর্ঘদিন অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারে শরীরে বিপাকীয় সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং ভবিষ্যতে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
শিশুর স্ক্রিন টাইম কমাতে করণীয়
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে শিশুদের স্ক্রিন নির্ভরতা কমানো সম্ভব—
- প্রতিদিন অবসর সময়ের স্ক্রিন ব্যবহার ২ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন
- খাবারের সময় বা ঘুমানোর আগে স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ রাখুন
- ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে রাখুন
- শিশুদের নিয়মিত খেলাধুলা ও শারীরিক কাজে উৎসাহিত করুন
- বই পড়া, আঁকাআঁকি বা সৃজনশীল কাজে যুক্ত করুন
- অভিভাবক হিসেবে নিজের স্ক্রিন ব্যবহারে সচেতন থাকুন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল ডিভাইস পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তবে এর ব্যবহার যেন নিয়ন্ত্রিত থাকে তা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ দীর্ঘমেয়াদে এটি শিশুদের হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক বিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে।
























