ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এপ্রিলে রেমিট্যান্সে জোয়ার, ৮ দিনেই এলো প্রায় ১০০ কোটি ডলার

এপ্রিলের প্রথম ৮ দিনেই বাংলাদেশে এসেছে প্রায় ৯৭.৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। ছবি- সংগ্রহীত

চলতি এপ্রিল মাসের শুরুতেই দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে। প্রথম আট দিনেই প্রায় ৯৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশ বেশি।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন আরিফ হোসেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২ হাজার ৭১৮ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। তখন এই অঙ্ক ছিল প্রায় ২ হাজার ২৫৬ কোটি ডলার, অর্থাৎ মোট প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ শতাংশের বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রবাসী আয় বাড়ার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে এবং ডলারের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এর আগে মার্চ মাসেও রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় উত্থান দেখা যায়। ওই মাসে প্রায় ৩৭৭ কোটি ডলার দেশে আসে, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স হিসেবে বিবেচিত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা বৃদ্ধি, প্রবাসীদের আস্থা এবং হুন্ডি কমে যাওয়াই এই প্রবৃদ্ধির প্রধান কারণ।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড তৈরি হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এপ্রিলে রেমিট্যান্সে জোয়ার, ৮ দিনেই এলো প্রায় ১০০ কোটি ডলার

Update Time : ০৮:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

চলতি এপ্রিল মাসের শুরুতেই দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে। প্রথম আট দিনেই প্রায় ৯৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশ বেশি।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন আরিফ হোসেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

আরও পড়ুন  স্টার্টআপ জগতে বিনিয়োগকারীদের পরিবর্তিত চাহিদা ও বাস্তবতা

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২ হাজার ৭১৮ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। তখন এই অঙ্ক ছিল প্রায় ২ হাজার ২৫৬ কোটি ডলার, অর্থাৎ মোট প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ শতাংশের বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রবাসী আয় বাড়ার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে এবং ডলারের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

আরও পড়ুন  সঞ্চয়পত্রে লাভ কমছে, কী প্রতিক্রিয়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের?

এর আগে মার্চ মাসেও রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় উত্থান দেখা যায়। ওই মাসে প্রায় ৩৭৭ কোটি ডলার দেশে আসে, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স হিসেবে বিবেচিত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা বৃদ্ধি, প্রবাসীদের আস্থা এবং হুন্ডি কমে যাওয়াই এই প্রবৃদ্ধির প্রধান কারণ।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড তৈরি হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করবে।

আরও পড়ুন  রেমিট্যান্স প্রবাহে রেকর্ড সুখবর: ১৮ দিনে দেশে এলো ২২ হাজার কোটি টাকা