ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সুখবর! সৌদি উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজির ঢাকা সফর এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা Logo ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফিরলেন: চিকিৎসা শেষে সুখবর, জানালেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা Logo নিষিদ্ধ সংগঠন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মিজানুর রহমানের সহযোগী চন্দনাইশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বর্তমানে সক্রিয় ২ কর্মী গ্রেপ্তার Logo আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে Logo BTS গ্র্যামি বয়কট: গ্র্যামি থেকে সরানো হলো BTS-এর ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স ভিডিও Logo ফ্রন্ট লোড ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার: দুর্গন্ধ দূর করার ৭টি সহজ উপায় Logo মানসিক চাপ কমানোর উপায়: স্ট্রেসের সময় শান্ত থাকার ৫টি কার্যকর কৌশল Logo ঢাকার বায়ুর মান মাঝারি: AQI ৭৯, জানুন আজকের স্বস্তির খবর Logo শিশুদের খেলাধুলা কেন জরুরি? গবেষণায় মিলল দারুণ তথ্য Logo ব্রেন ফগ দূর করার সহজ উপায়: মনোযোগ বাড়ানোর কার্যকর অভ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে হামলা, শ্রমিক দল নেতা নিহত

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত

সালিশি বৈঠকে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় দাম্পত্য বিরোধ নিয়ে আয়োজিত একটি সালিশ বৈঠক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক শ্রমিক দল নেতা নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে একই এলাকার এক যুবকের বিয়ে হয়েছিল প্রায় পাঁচ বছর আগে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে সোমবার বিকেলে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। শুরুতে আলোচনা শান্তিপূর্ণ থাকলেও এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়।

বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজনের দাবি, কথা কাটাকাটির জেরে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে সংঘর্ষের পরিবেশ তৈরি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে হামলা চালায়। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হামলার সময় জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মারাত্মকভাবে আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। নিহতের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও সমর্থকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

জাহাঙ্গীর আলম স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

সুখবর! সৌদি উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজির ঢাকা সফর এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে হামলা, শ্রমিক দল নেতা নিহত

Update Time : ০৪:৫৩:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সালিশি বৈঠকে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় দাম্পত্য বিরোধ নিয়ে আয়োজিত একটি সালিশ বৈঠক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক শ্রমিক দল নেতা নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে একই এলাকার এক যুবকের বিয়ে হয়েছিল প্রায় পাঁচ বছর আগে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে সোমবার বিকেলে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। শুরুতে আলোচনা শান্তিপূর্ণ থাকলেও এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়।

আরও পড়ুন  স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন তরুণ সংগঠকরা

বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজনের দাবি, কথা কাটাকাটির জেরে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে সংঘর্ষের পরিবেশ তৈরি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে হামলা চালায়। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হামলার সময় জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মারাত্মকভাবে আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। নিহতের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও সমর্থকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

আরও পড়ুন  হজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, কোরবানির অর্থ আত্মসাত নিয়ে বিতর্ক

জাহাঙ্গীর আলম স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন  খুরশিদ আলম ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, স্ত্রীর ঋণ খেলাপি হওয়া বাধা নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক