ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ফারিণ স্পেন সফর | দারুণ ছবিতে মুগ্ধ ভক্তরা, ইবিজা ভ্রমণে নতুন চমক Logo সরোয়ারের প্রার্থিতা মামলা: ২৭ জুলাই শুনানির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত Logo ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার রায়: হত্যাকাণ্ডেও থামেনি ছাত্র আন্দোলন Logo ‘দ্য ওডিসি’র ঝড়ের মাঝে নোলানের বড় সিদ্ধান্ত,বানাবেন না নতুন সিনেমা Logo আর্লিং হলান্ডের হাঁটা নকল করলেন বিটিএস তারকা জিমিন Logo মার্জিন ঋণে নতুন নিয়ম, ইক্যুইটি ৫০% কমলেই শেয়ার বিক্রি Logo পল্লী উন্নয়ন বোর্ড নিয়োগ: ৯ম-২০তম গ্রেডে ১৮৫ পদে আবেদন শুরু Logo ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল আসছে, আগেই প্রকাশের ইঙ্গিত পিএসসির Logo পাবনার হোসিয়ারিশিল্প সংকটে, ভারত রপ্তানি বন্ধে বন্ধ হচ্ছে কারখানা Logo জয়া আহসানের নতুন সিনেমা | ভারতীয় সমালোচকদের দুর্দান্ত প্রশংসায় ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

উৎসে কর তদারকি: হয়রানি না করার আহ্বান ঢাকা চেম্বারের, এনবিআরের নতুন নির্দেশনা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৮:০১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৯

উৎসে কর আদায় ও তদারকি জোরদারে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর। ছবি: সংগৃহীত

উৎসে কর তদারকি কার্যক্রম জোরদারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তবে এই কার্যক্রমের নামে নিয়ম মেনে চলা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান যেন অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

ঢাকা চেম্বারের মতে, আয়কর আইনের আওতায় উৎসে কর জমা, যাচাই ও তদারকি কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। পাশাপাশি কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো পুরোপুরি কর-কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে পারেনি, তাদের প্রয়োজনীয় সময় ও সহযোগিতা দেওয়ার জন্য এনবিআরের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার। সংগঠনটি মনে করে, কঠোরতার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখাও জরুরি।

এদিকে উৎসে কর তদারকি আরও কার্যকর করতে কর কর্মকর্তাদের জন্য পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কর কর্মকর্তারা যেকোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিস ও ব্যবসাকেন্দ্রে প্রবেশ করে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক হিসাব, রসিদ ও আর্থিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করার সুযোগ থাকবে।

এনবিআরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে থাকা তথ্য পরীক্ষা করতে পারবেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ বা সংরক্ষণের ব্যবস্থাও নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া উৎসে কর কর্তনের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি, হিসাবের খাতা বা ডিজিটাল তথ্য সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে কর কর্মকর্তাদের। একই সঙ্গে বিভিন্ন নথি, হিসাব বা রেকর্ডের কপি সংগ্রহ এবং শনাক্তকরণ চিহ্ন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার বলছে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। অটোমেশন কার্যক্রম শক্তিশালী হলে করদাতা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভোগান্তি কমবে এবং কর ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফারিণ স্পেন সফর | দারুণ ছবিতে মুগ্ধ ভক্তরা, ইবিজা ভ্রমণে নতুন চমক

উৎসে কর তদারকি: হয়রানি না করার আহ্বান ঢাকা চেম্বারের, এনবিআরের নতুন নির্দেশনা

Update Time : ০৮:০১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

উৎসে কর তদারকি কার্যক্রম জোরদারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তবে এই কার্যক্রমের নামে নিয়ম মেনে চলা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান যেন অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

ঢাকা চেম্বারের মতে, আয়কর আইনের আওতায় উৎসে কর জমা, যাচাই ও তদারকি কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। পাশাপাশি কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন  স্বপ্নে ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, লাভজনক করার বড় পরিকল্পনা এসিআইয়ের

একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো পুরোপুরি কর-কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে পারেনি, তাদের প্রয়োজনীয় সময় ও সহযোগিতা দেওয়ার জন্য এনবিআরের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার। সংগঠনটি মনে করে, কঠোরতার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখাও জরুরি।

এদিকে উৎসে কর তদারকি আরও কার্যকর করতে কর কর্মকর্তাদের জন্য পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কর কর্মকর্তারা যেকোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিস ও ব্যবসাকেন্দ্রে প্রবেশ করে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক হিসাব, রসিদ ও আর্থিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করার সুযোগ থাকবে।

আরও পড়ুন  নতুন আইএমএফ ঋণ কর্মসূচি, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্বে সরকার

এনবিআরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে থাকা তথ্য পরীক্ষা করতে পারবেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ বা সংরক্ষণের ব্যবস্থাও নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া উৎসে কর কর্তনের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি, হিসাবের খাতা বা ডিজিটাল তথ্য সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে কর কর্মকর্তাদের। একই সঙ্গে বিভিন্ন নথি, হিসাব বা রেকর্ডের কপি সংগ্রহ এবং শনাক্তকরণ চিহ্ন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, বিতরণ হলো ৫.৭৫ কোটি টাকার বিমা দাবি

ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার বলছে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। অটোমেশন কার্যক্রম শক্তিশালী হলে করদাতা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভোগান্তি কমবে এবং কর ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে।