ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাঙ্গামাটিতে বন্যায় কৃষি-মৎস্যে ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি Logo ৬৪ দলের বিশ্বকাপ, কতটা সম্ভব ফিফার নতুন পরিকল্পনা Logo ছাত্রাবাসে ধর্ষণ অভিযোগ: ৪ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ Logo প্লাস্টিকের ব্যাগে বিশ্বকাপ ট্রফি? কুকুরেয়ার ভিডিওর আসল রহস্য Logo হুতিদের নৌ অবরোধ ঘোষণা: সৌদির জন্য বড় হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা Logo ধূমপান ছাড়ার ৪ সহজ উপায়, জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ Logo চরমোনাই পীরের কড়া বার্তা: ইসলামের নামে একাধিক দল নিয়ে প্রশ্ন Logo ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস, এক রাতেই ফলোয়ারে চমক Logo এআই প্রযুক্তিতে পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ: ৭ পরিবর্তনে নতুন সম্ভাবনা Logo ঘুম না এলে রাতে করুন এই ৭ ব্যায়াম, মিলবে স্বস্তির ঘুম

উৎসে কর তদারকি: হয়রানি না করার আহ্বান ঢাকা চেম্বারের, এনবিআরের নতুন নির্দেশনা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৮:০১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৭

উৎসে কর আদায় ও তদারকি জোরদারে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর। ছবি: সংগৃহীত

উৎসে কর তদারকি কার্যক্রম জোরদারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তবে এই কার্যক্রমের নামে নিয়ম মেনে চলা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান যেন অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

ঢাকা চেম্বারের মতে, আয়কর আইনের আওতায় উৎসে কর জমা, যাচাই ও তদারকি কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। পাশাপাশি কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো পুরোপুরি কর-কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে পারেনি, তাদের প্রয়োজনীয় সময় ও সহযোগিতা দেওয়ার জন্য এনবিআরের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার। সংগঠনটি মনে করে, কঠোরতার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখাও জরুরি।

এদিকে উৎসে কর তদারকি আরও কার্যকর করতে কর কর্মকর্তাদের জন্য পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কর কর্মকর্তারা যেকোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিস ও ব্যবসাকেন্দ্রে প্রবেশ করে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক হিসাব, রসিদ ও আর্থিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করার সুযোগ থাকবে।

এনবিআরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে থাকা তথ্য পরীক্ষা করতে পারবেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ বা সংরক্ষণের ব্যবস্থাও নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া উৎসে কর কর্তনের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি, হিসাবের খাতা বা ডিজিটাল তথ্য সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে কর কর্মকর্তাদের। একই সঙ্গে বিভিন্ন নথি, হিসাব বা রেকর্ডের কপি সংগ্রহ এবং শনাক্তকরণ চিহ্ন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার বলছে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। অটোমেশন কার্যক্রম শক্তিশালী হলে করদাতা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভোগান্তি কমবে এবং কর ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে বন্যায় কৃষি-মৎস্যে ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি

উৎসে কর তদারকি: হয়রানি না করার আহ্বান ঢাকা চেম্বারের, এনবিআরের নতুন নির্দেশনা

Update Time : ০৮:০১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

উৎসে কর তদারকি কার্যক্রম জোরদারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তবে এই কার্যক্রমের নামে নিয়ম মেনে চলা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান যেন অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

ঢাকা চেম্বারের মতে, আয়কর আইনের আওতায় উৎসে কর জমা, যাচাই ও তদারকি কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। পাশাপাশি কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন  কারওয়ান বাজারে গাড়ির শোরুমে আগুন, ফায়ার সার্ভিস দ্রুত নিয়ন্ত্রণে

একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো পুরোপুরি কর-কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে পারেনি, তাদের প্রয়োজনীয় সময় ও সহযোগিতা দেওয়ার জন্য এনবিআরের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার। সংগঠনটি মনে করে, কঠোরতার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখাও জরুরি।

এদিকে উৎসে কর তদারকি আরও কার্যকর করতে কর কর্মকর্তাদের জন্য পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কর কর্মকর্তারা যেকোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিস ও ব্যবসাকেন্দ্রে প্রবেশ করে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক হিসাব, রসিদ ও আর্থিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করার সুযোগ থাকবে।

আরও পড়ুন  রাজশাহীতে বন্ধ কারখানা চালু, ৩৫০০ মানুষের নতুন চাকরি

এনবিআরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে থাকা তথ্য পরীক্ষা করতে পারবেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ বা সংরক্ষণের ব্যবস্থাও নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া উৎসে কর কর্তনের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি, হিসাবের খাতা বা ডিজিটাল তথ্য সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে কর কর্মকর্তাদের। একই সঙ্গে বিভিন্ন নথি, হিসাব বা রেকর্ডের কপি সংগ্রহ এবং শনাক্তকরণ চিহ্ন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন  আইসক্রিম বাজার দ্রুত দ্বিগুণ: ৫ বছরে ৩৫০০ কোটি টাকার শিল্পে স্বাদের চমক

ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার বলছে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। অটোমেশন কার্যক্রম শক্তিশালী হলে করদাতা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভোগান্তি কমবে এবং কর ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে।