ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাত্র ৭ দিনে মনোযোগ বাড়াবেন যেভাবে, জানুন সহজ কৌশল Logo দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এমপি জসীমের নেতৃত্বে চন্দনাইশে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ Logo নতুন উপজেলায় সাতকানিয়ার ৬ ইউনিয়নের সাথে দোহাজারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে: এমপি জসীম উদ্দীন আহমেদ Logo চন্দনাইশে গাছবাড়ীয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বাস উপহারের ঘোষণা এমপি জসীম উদ্দীন আহমেদের Logo ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন পেল বিকাশ-রবিসহ চার প্রতিষ্ঠান Logo সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে ঘুষ, আদালতে দুই কর্মচারীর জবানবন্দি Logo মরিয়মের মৃত্যু মামলায় গাজী নজরুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে Logo থানার দরজা ভেঙে পালাল কিশোর গ্যাংয়ের ১৭ সদস্য Logo নেতানিয়াহুর নিউইয়র্ক সফর ঘিরে উত্তেজনা, মামদানির হুমকির পর কী হতে পারে Logo গাজার পুনর্গঠনে ২৪৫ কোটি ডলারের পরিকল্পনা ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের

সড়ক নিরাপত্তা অভিযান: দেশজুড়ে কঠোর ঝটিকা অভিযান

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:২৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৬১

মহাসড়কে যানবাহন তদারকি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম | ছবি: সংগৃহীত

সড়ক নিরাপত্তা অভিযান জোরদারে এবার সারা দেশে নিয়মিত ঝটিকা অভিযান পরিচালনার ঘোষণা এসেছে। একের পর এক বড় সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মধ্যে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক তখনই সরকারের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপের কথা জানানো হলো। সড়ক, মহাসড়ক ও রেলপথ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, সামান্য অসতর্কতা, অতিরিক্ত গতি কিংবা বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে আর কোনো পরিবারকে যেন প্রিয়জন হারাতে না হয়, সেটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যেই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চালকদের দায়িত্বশীল আচরণ ও যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মদিনাবাগ ওয়াসা রোডের পাগল চাঁদ হোটেলসংলগ্ন এলাকায় মুগদা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানেই তিনি সড়ক নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো চালকের অবহেলার কারণে যেন আর একটি প্রাণও ঝরে না যায়, সে বিষয়ে সরকার আপসহীন থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সড়ক নিরাপত্তা অভিযান সফল করতে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), পরিবহন মালিক, চালক এবং সাধারণ মানুষ—সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কারণ সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। চালকের অসতর্কতা যেমন দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, তেমনি ফিটনেসবিহীন গাড়ি, ট্রাফিক আইন না মানা কিংবা অতিরিক্ত গতিও বড় ঝুঁকি তৈরি করে। বিআরটিএর বিভিন্ন সাম্প্রতিক নির্দেশনা ও বিজ্ঞপ্তিতেও নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশাসনের প্রতি কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অপরাধী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রভাব যেন কোনোভাবেই বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতেই প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর করলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে; প্রতিটি পরিবারকেও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত কার্যক্রম চালানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়। অর্থাৎ সড়ক নিরাপত্তা অভিযান যেমন দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হবে, তেমনি পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার উদ্যোগও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

বক্তব্যের শুরুতে জুলাইয়ের বীর যোদ্ধা ও জুলাই শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান হাবিবুর রশিদ। তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। এদিকে সড়কে নিরাপত্তা ফেরাতে ঘোষিত সড়ক নিরাপত্তা অভিযান বাস্তবায়নে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর আইন প্রয়োগ কতটা হচ্ছে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; ফিটনেসবিহীন গাড়ি শনাক্ত, চালকের বৈধতা যাচাই, গতিসীমা মানানো এবং ট্রাফিক আইন প্রয়োগে ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক, এলাকাবাসী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত হলে দুর্ঘটনা কমার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে আস্থাও বাড়বে—এটাই এখন প্রত্যাশা।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাত্র ৭ দিনে মনোযোগ বাড়াবেন যেভাবে, জানুন সহজ কৌশল

সড়ক নিরাপত্তা অভিযান: দেশজুড়ে কঠোর ঝটিকা অভিযান

Update Time : ০৯:২৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

সড়ক নিরাপত্তা অভিযান জোরদারে এবার সারা দেশে নিয়মিত ঝটিকা অভিযান পরিচালনার ঘোষণা এসেছে। একের পর এক বড় সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মধ্যে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক তখনই সরকারের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপের কথা জানানো হলো। সড়ক, মহাসড়ক ও রেলপথ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, সামান্য অসতর্কতা, অতিরিক্ত গতি কিংবা বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে আর কোনো পরিবারকে যেন প্রিয়জন হারাতে না হয়, সেটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যেই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চালকদের দায়িত্বশীল আচরণ ও যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মদিনাবাগ ওয়াসা রোডের পাগল চাঁদ হোটেলসংলগ্ন এলাকায় মুগদা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানেই তিনি সড়ক নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো চালকের অবহেলার কারণে যেন আর একটি প্রাণও ঝরে না যায়, সে বিষয়ে সরকার আপসহীন থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  প্রাইভেট পড়া কমাতে পুতুলের জোরালো বার্তা

সড়ক নিরাপত্তা অভিযান সফল করতে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), পরিবহন মালিক, চালক এবং সাধারণ মানুষ—সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কারণ সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। চালকের অসতর্কতা যেমন দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, তেমনি ফিটনেসবিহীন গাড়ি, ট্রাফিক আইন না মানা কিংবা অতিরিক্ত গতিও বড় ঝুঁকি তৈরি করে। বিআরটিএর বিভিন্ন সাম্প্রতিক নির্দেশনা ও বিজ্ঞপ্তিতেও নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশাসনের প্রতি কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অপরাধী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রভাব যেন কোনোভাবেই বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতেই প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর করলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে; প্রতিটি পরিবারকেও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত কার্যক্রম চালানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়। অর্থাৎ সড়ক নিরাপত্তা অভিযান যেমন দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হবে, তেমনি পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার উদ্যোগও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন  ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস, এক রাতেই ফলোয়ারে চমক

বক্তব্যের শুরুতে জুলাইয়ের বীর যোদ্ধা ও জুলাই শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান হাবিবুর রশিদ। তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। এদিকে সড়কে নিরাপত্তা ফেরাতে ঘোষিত সড়ক নিরাপত্তা অভিযান বাস্তবায়নে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর আইন প্রয়োগ কতটা হচ্ছে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; ফিটনেসবিহীন গাড়ি শনাক্ত, চালকের বৈধতা যাচাই, গতিসীমা মানানো এবং ট্রাফিক আইন প্রয়োগে ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক, এলাকাবাসী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত হলে দুর্ঘটনা কমার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে আস্থাও বাড়বে—এটাই এখন প্রত্যাশা।