ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার আদালতে

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬০৩

তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর প্রথম গ্রেফতার। ছবি: সংগৃহীত।

তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘ এক দশক পর কুমিল্লার বহুল আলোচিত এই মামলায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে হাজির করা হলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বুধবার বিকালে আদালত এই আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এই ঘটনাকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার বিষয়টি। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই মামলায় এতদিন কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়নি।

এর আগে মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করেন। সন্দেহভাজনরা হলেন সাবেক সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক জাহাঙ্গীর।২০১৭ সালে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। নতুন তদন্তে সেই ডিএনএ পরীক্ষার তথ্যও গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের কাছে জঙ্গলের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত এক দশকে থানা পুলিশ, ডিবি, সিআইডি এবং পিবিআইসহ চারটি সংস্থা এই মামলার তদন্ত করেছে। এখন পর্যন্ত সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রায় ৮০টি শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার আদালতে

Update Time : ০৭:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘ এক দশক পর কুমিল্লার বহুল আলোচিত এই মামলায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে হাজির করা হলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বুধবার বিকালে আদালত এই আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন  বিএনপি নেতাসহ ১৫ জনের নামে বিজিবির মামলা

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এই ঘটনাকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার বিষয়টি। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই মামলায় এতদিন কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়নি।

আরও পড়ুন  পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু নিয়ে গাজীপুরে চরম উত্তেজনা ও সড়ক অবরোধ

এর আগে মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করেন। সন্দেহভাজনরা হলেন সাবেক সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক জাহাঙ্গীর।২০১৭ সালে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। নতুন তদন্তে সেই ডিএনএ পরীক্ষার তথ্যও গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের কাছে জঙ্গলের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত এক দশকে থানা পুলিশ, ডিবি, সিআইডি এবং পিবিআইসহ চারটি সংস্থা এই মামলার তদন্ত করেছে। এখন পর্যন্ত সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রায় ৮০টি শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু হত্যা: ৬ বছরের শিশুকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার