ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছাত্রাবাসে ধর্ষণ অভিযোগ: ৪ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ Logo প্লাস্টিকের ব্যাগে বিশ্বকাপ ট্রফি? কুকুরেয়ার ভিডিওর আসল রহস্য Logo হুতিদের নৌ অবরোধ ঘোষণা: সৌদির জন্য বড় হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা Logo ধূমপান ছাড়ার ৪ সহজ উপায়, জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ Logo চরমোনাই পীরের কড়া বার্তা: ইসলামের নামে একাধিক দল নিয়ে প্রশ্ন Logo ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস, এক রাতেই ফলোয়ারে চমক Logo এআই প্রযুক্তিতে পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ: ৭ পরিবর্তনে নতুন সম্ভাবনা Logo ঘুম না এলে রাতে করুন এই ৭ ব্যায়াম, মিলবে স্বস্তির ঘুম Logo ঘুমের অভাব কি ডায়াবেটিস ডেকে আনে? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত Logo শিশুর লাশ উদ্ধার: আলমারিতে মরদেহ, গণপিটুনিতে নারী নিহত | চাঞ্চল্যকর ঘটনা

অর্থমন্ত্রী: অর্থনীতিতে প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য

  • Mir Yeaz Mahmud
  • Update Time : ০৯:৩৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৫৭২

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রেইস প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী।

দেশের প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের প্রধান রাজনৈতিক দর্শন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সুষমভাবে পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রেইস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী সমাজের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পিকেএসএফ-এর উন্নয়ন কার্যক্রম সরকারের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরি করাই এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য বলে তিনি অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক জানান, পিকেএসএফ কেবল অর্থায়ন নয়, বরং প্রযুক্তি ও বাজার সংযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে কাজ করছে। এর ফলে দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি ড. গেইল এইচ. মার্টিন বলেন, বাংলাদেশের প্রতি বছর ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। তাদের কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের জন্য রেইস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।

২০৩০ সালে শেষ হতে যাওয়া এই প্রকল্পে ৪ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী তরুণদের এই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রাবাসে ধর্ষণ অভিযোগ: ৪ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ

অর্থমন্ত্রী: অর্থনীতিতে প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য

Update Time : ০৯:৩৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

দেশের প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের প্রধান রাজনৈতিক দর্শন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সুষমভাবে পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রেইস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী সমাজের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

আরও পড়ুন  চাকরি–সংস্কৃতি বদলাচ্ছে: কর্মীর আস্থা ও দক্ষতায় গড়বে সফল প্রতিষ্ঠান

মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পিকেএসএফ-এর উন্নয়ন কার্যক্রম সরকারের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরি করাই এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য বলে তিনি অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক জানান, পিকেএসএফ কেবল অর্থায়ন নয়, বরং প্রযুক্তি ও বাজার সংযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে কাজ করছে। এর ফলে দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  জন্মের পরই আইডি পাবে শিশু, এতেই মিলবে মৃত্যু পর্যন্ত সুবিধা

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি ড. গেইল এইচ. মার্টিন বলেন, বাংলাদেশের প্রতি বছর ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। তাদের কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের জন্য রেইস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।

২০৩০ সালে শেষ হতে যাওয়া এই প্রকল্পে ৪ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী তরুণদের এই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।

আরও পড়ুন  আফগানিস্তানের বাসমতী চালের বাজার ধরতে চায় ভারত