ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি Logo বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান Logo সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে কেন সতর্ক করল সরকার? Logo ঘরেই বানান রেস্টুরেন্ট স্টাইল ক্রিস্পি পটেটো ওয়েজেস Logo সুখবর! সৌদি উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজির ঢাকা সফর এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা Logo ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফিরলেন: চিকিৎসা শেষে সুখবর, জানালেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা Logo নিষিদ্ধ সংগঠন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মিজানুর রহমানের সহযোগী চন্দনাইশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বর্তমানে সক্রিয় ২ কর্মী গ্রেপ্তার Logo আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে Logo BTS গ্র্যামি বয়কট: গ্র্যামি থেকে সরানো হলো BTS-এর ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স ভিডিও Logo ফ্রন্ট লোড ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার: দুর্গন্ধ দূর করার ৭টি সহজ উপায়

পল্টনের আবাসিক হোটেলে বাবুর্চির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৬:১৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ৫৪০

চিত্রঃ রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম শুভ্র রোজারিও (২৮)। তিনি পেশায় একজন বাবুর্চি ছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট হোটেলেই কর্মরত অবস্থায় বসবাস করতেন। রোববার রাতে এই ঘটনা সামনে আসে। পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে রাত প্রায় ৯টার দিকে পল্টন এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হয়। পরে হোটেলের ৫১৮ নম্বর কক্ষ থেকে শুভ্র রোজারিওর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

 

পল্টন থানার উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান জানান, হোটেল কক্ষের ভেতরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিস্তারিত অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, শুভ্র রোজারিও দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে কাজ করছিলেন। তিনি একটি হোটেলে বাবুর্চির দায়িত্ব পালন করতেন এবং কর্মস্থলের আবাসন সুবিধার আওতায় সেখানেই অবস্থান করতেন।

 

নিহতের ভাই জেমি রোজারিও বলেন, তার ভাই ওই হোটেলে বাবুর্চির কাজ করতেন এবং সেখানেই থাকতেন। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে পরিবারের কেউ কিছু জানেন না। বিষয়টি তাদের জন্য অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত এবং বেদনাদায়ক। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুভ্র রোজারিওর গ্রামের বাড়ি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ছাইতান গ্রামে। তার বাবা রঞ্জন রোজারিও ইতোমধ্যে মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে ঢাকায় ছুটে আসেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এমন ঘটনার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষদর্শী, হোটেল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হোটেলটির আশপাশে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ধরনের অনুমান বা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি এবং ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি

পল্টনের আবাসিক হোটেলে বাবুর্চির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০৬:১৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম শুভ্র রোজারিও (২৮)। তিনি পেশায় একজন বাবুর্চি ছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট হোটেলেই কর্মরত অবস্থায় বসবাস করতেন। রোববার রাতে এই ঘটনা সামনে আসে। পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে রাত প্রায় ৯টার দিকে পল্টন এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হয়। পরে হোটেলের ৫১৮ নম্বর কক্ষ থেকে শুভ্র রোজারিওর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

 

পল্টন থানার উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান জানান, হোটেল কক্ষের ভেতরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিস্তারিত অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, শুভ্র রোজারিও দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে কাজ করছিলেন। তিনি একটি হোটেলে বাবুর্চির দায়িত্ব পালন করতেন এবং কর্মস্থলের আবাসন সুবিধার আওতায় সেখানেই অবস্থান করতেন।

আরও পড়ুন  রাজবাড়ীতে পাটক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

 

নিহতের ভাই জেমি রোজারিও বলেন, তার ভাই ওই হোটেলে বাবুর্চির কাজ করতেন এবং সেখানেই থাকতেন। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে পরিবারের কেউ কিছু জানেন না। বিষয়টি তাদের জন্য অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত এবং বেদনাদায়ক। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুভ্র রোজারিওর গ্রামের বাড়ি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ছাইতান গ্রামে। তার বাবা রঞ্জন রোজারিও ইতোমধ্যে মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে ঢাকায় ছুটে আসেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন  খিলগাঁওয়ে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে জখম

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এমন ঘটনার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষদর্শী, হোটেল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হোটেলটির আশপাশে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ধরনের অনুমান বা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি এবং ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  মাছের বাজারে আগুন, রাজধানীতে স্বস্তি কেবল সবজিতে

 

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।