ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ে, গুরুত্ব পেল বৈশ্বিক অর্থনীতি

চিত্রঃ বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। (সংগৃহীত)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং পৌঁছেছেন—চীনের গুরুত্বপূর্ণ শহর দালিয়ানে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে তিনি দেশটির রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। এই সফরকে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নতুন বিনিয়োগ সম্ভাবনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। বুধবার চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় দালিয়ান থেকে দ্রুতগতির ট্রেনে যাত্রা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার যাত্রা শেষে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি বেইজিং পৌঁছান। সফরের পরবর্তী অংশে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও কূটনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এর আগে একই দিন সকালে দালিয়ানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করেন।

 

বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা নিয়ে সম্মেলনে বিস্তৃত আলোচনা হয়। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই আয়োজনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়াও গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলঝাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন সেওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ অংশগ্রহণ করেন।

 

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতি সম্মেলনটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো বিষয়গুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে এক হাজার সাতশোর অধিক প্রতিনিধি সম্মেলনে অংশ নেন। এর মধ্যে ছিলেন রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মতবিনিময় ও সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করাই ছিল এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সম্মেলনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও দৃশ্যমান করে তোলে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ বর্তমানে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রেও সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সফল অভিজ্ঞতা ও উন্নয়ন কৌশল সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রেও এসব অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো খাতে বিশ্বের অগ্রসর দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য মূল্যবান হতে পারে। এসব বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হয় এমন সম্মেলনের মাধ্যমে।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দালিয়ানে সম্মেলনে অংশগ্রহণের আগে গত সোমবার মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

 

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ফোরামের মতো গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের ভাবমূর্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বেইজিং সফরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক কর্মসূচির নতুন অধ্যায় শুরু হলো। এ সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ে, গুরুত্ব পেল বৈশ্বিক অর্থনীতি

Update Time : ০৫:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং পৌঁছেছেন—চীনের গুরুত্বপূর্ণ শহর দালিয়ানে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে তিনি দেশটির রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। এই সফরকে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নতুন বিনিয়োগ সম্ভাবনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। বুধবার চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় দালিয়ান থেকে দ্রুতগতির ট্রেনে যাত্রা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার যাত্রা শেষে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি বেইজিং পৌঁছান। সফরের পরবর্তী অংশে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও কূটনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এর আগে একই দিন সকালে দালিয়ানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন  সবুজ জলবায়ু তহবিল কার্যকরে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

 

বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা নিয়ে সম্মেলনে বিস্তৃত আলোচনা হয়। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই আয়োজনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়াও গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলঝাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন সেওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ অংশগ্রহণ করেন।

 

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতি সম্মেলনটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো বিষয়গুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে এক হাজার সাতশোর অধিক প্রতিনিধি সম্মেলনে অংশ নেন। এর মধ্যে ছিলেন রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মতবিনিময় ও সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করাই ছিল এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের চীন সফরে ১৫ চুক্তির সম্ভাবনা

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সম্মেলনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও দৃশ্যমান করে তোলে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ বর্তমানে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রেও সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সফল অভিজ্ঞতা ও উন্নয়ন কৌশল সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রেও এসব অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো খাতে বিশ্বের অগ্রসর দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য মূল্যবান হতে পারে। এসব বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হয় এমন সম্মেলনের মাধ্যমে।

আরও পড়ুন  উত্তরের চার জেলায় বন্যার আশঙ্কা, বাড়ছে নদ-নদীর পানি

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দালিয়ানে সম্মেলনে অংশগ্রহণের আগে গত সোমবার মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

 

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ফোরামের মতো গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের ভাবমূর্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বেইজিং সফরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক কর্মসূচির নতুন অধ্যায় শুরু হলো। এ সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।