ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শহীদ মিনারে কারিনা কায়সারের জানাজা, রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি

শহীদ মিনারে কারিনা কায়সারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন — ছবি: সংগৃহীত

শহীদ মিনারে কারিনা কায়সারের জানাজা রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক আবেগঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৭ মে) রাত ১০টায় এই জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন, যা ঘটনাটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।

জানাজা শেষে উপস্থিত নেতারা জুলাই আন্দোলনকে স্মরণ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন, যা উপস্থিত জনতার মধ্যে গভীর আবেগ সৃষ্টি করে। পুরো শহীদ মিনার এলাকা তখন শোক ও শ্রদ্ধার পরিবেশে ভরে ওঠে। সাধারণ মানুষও সেখানে উপস্থিত হয়ে মরহুমা কারিনা কায়সারের জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করেন।

এই জানাজায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব অংশ নেন। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ, এ বি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু এবং এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতারাও জানাজায় অংশ নেন। এছাড়াও ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।

শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এই জানাজা শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ছিল না, বরং এটি রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্যের একটি প্রতীকী মুহূর্ত হিসেবেও বিবেচিত হয়। বিভিন্ন মত ও আদর্শের মানুষ একত্রিত হয়ে মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

উপস্থিত নেতারা জানান, কারিনা কায়সারের মৃত্যু দেশের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তার স্মৃতি ও অবদান ভবিষ্যতেও মানুষ মনে রাখবে। জানাজা শেষে দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণকারীরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের মাঝেও মানুষের মৃত্যুতে জাতি একত্রিত হতে পারে। শহীদ মিনার তাই শুধু আন্দোলনের স্থান নয়, বরং জাতীয় শোক ও শ্রদ্ধার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে আবারও উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা বিএনপিতে যোগদান

শহীদ মিনারে কারিনা কায়সারের জানাজা, রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি

Update Time : ১১:৫৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

শহীদ মিনারে কারিনা কায়সারের জানাজা রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক আবেগঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৭ মে) রাত ১০টায় এই জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন, যা ঘটনাটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।

জানাজা শেষে উপস্থিত নেতারা জুলাই আন্দোলনকে স্মরণ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন, যা উপস্থিত জনতার মধ্যে গভীর আবেগ সৃষ্টি করে। পুরো শহীদ মিনার এলাকা তখন শোক ও শ্রদ্ধার পরিবেশে ভরে ওঠে। সাধারণ মানুষও সেখানে উপস্থিত হয়ে মরহুমা কারিনা কায়সারের জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করেন।

আরও পড়ুন  দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে স্বস্তি, ভরিতে কমলো ২ হাজার টাকার বেশি

এই জানাজায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব অংশ নেন। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ, এ বি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু এবং এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতারাও জানাজায় অংশ নেন। এছাড়াও ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।

আরও পড়ুন  শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামির পদত্যাগ, ঢাবিতে শুরু নতুন আলোচনা

শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এই জানাজা শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ছিল না, বরং এটি রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্যের একটি প্রতীকী মুহূর্ত হিসেবেও বিবেচিত হয়। বিভিন্ন মত ও আদর্শের মানুষ একত্রিত হয়ে মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

উপস্থিত নেতারা জানান, কারিনা কায়সারের মৃত্যু দেশের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তার স্মৃতি ও অবদান ভবিষ্যতেও মানুষ মনে রাখবে। জানাজা শেষে দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণকারীরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে এলডিপি ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের মাঝেও মানুষের মৃত্যুতে জাতি একত্রিত হতে পারে। শহীদ মিনার তাই শুধু আন্দোলনের স্থান নয়, বরং জাতীয় শোক ও শ্রদ্ধার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে আবারও উঠে এসেছে।