ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চট্টগ্রাম জেলার বিশেষ পুরস্কার পেলেন চন্দনাইশ থানার ওসি এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার Logo ইউপি নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত নয়, বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত Logo কাদের-নাছিমসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ট্রাইব্যুনালের রায় Logo হামে মৃত্যু ১,০৩০: ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে বিশেষ টিকা, আপনার শিশুও কি পাবে? Logo নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন কবে, জেনে নিন সর্বশেষ খবর Logo শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা Logo ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে সিঁড়ি বন্ধের নেপথ্যে কী? Logo গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বড় স্বস্তির খবর: আজ সন্ধ্যা থেকেই বাড়ছে সরবরাহ Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জনের বড় নিয়োগ: এসএসসি পাসেই আবেদন, কোন পদে কতজন? Logo আজ থেকেই বিজিবিতে সিপাহী নিয়োগ: নারী-পুরুষের বয়স, উচ্চতা ও যোগ্যতা জানুন

গুরুত্বপূর্ণ বার্তা: জনগণের বিভাজন চক্রান্ত ঠেকাতে তথ্যমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৪৮

সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয় সম্মেলনে। ছবি: সংগৃহীত।

জনগণের বিভাজন চক্রান্ত কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ধর্ম, জাতি কিংবা অন্য কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে দেশের মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার যে কোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের ঐক্য, শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বরিশালে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে পারস্পরিক সহাবস্থান, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জাতীয় ঐক্যের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য সব সময় জনগণের কল্যাণকে কেন্দ্র করেই হওয়া উচিত। এমন কোনো বক্তব্য বা কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত নয়, যা মানুষের মধ্যে বিভেদ বা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করে। তিনি মনে করেন, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত দেশের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করা।

তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি ধর্মকে ব্যবহার করে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করে, তাহলে তা ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। ধর্ম কখনো বিভেদ সৃষ্টি করতে শেখায় না; বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের শিক্ষা দেয়। তাই ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভাজনের রাজনীতি থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বক্তব্যে তিনি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহনশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হলো সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। এই ঐতিহ্য রক্ষা করা শুধু সরকারের নয়, সমাজের প্রতিটি নাগরিকেরও দায়িত্ব। বিভেদ নয়, বরং ঐক্যই দেশের অগ্রগতির প্রধান শক্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারাও সম্প্রীতি, পারস্পরিক সম্মান এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বিশ্বাস, সহযোগিতা এবং সৌহার্দ্য আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের বিভাজনমূলক অপপ্রচার বা উসকানির বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম জেলার বিশেষ পুরস্কার পেলেন চন্দনাইশ থানার ওসি এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার

গুরুত্বপূর্ণ বার্তা: জনগণের বিভাজন চক্রান্ত ঠেকাতে তথ্যমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান

Update Time : ১২:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

জনগণের বিভাজন চক্রান্ত কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ধর্ম, জাতি কিংবা অন্য কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে দেশের মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার যে কোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের ঐক্য, শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বরিশালে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে পারস্পরিক সহাবস্থান, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জাতীয় ঐক্যের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

আরও পড়ুন  ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নিয়ে নতুন মোড়, সামনে বড় শঙ্কা!

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য সব সময় জনগণের কল্যাণকে কেন্দ্র করেই হওয়া উচিত। এমন কোনো বক্তব্য বা কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত নয়, যা মানুষের মধ্যে বিভেদ বা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করে। তিনি মনে করেন, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত দেশের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করা।

তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি ধর্মকে ব্যবহার করে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করে, তাহলে তা ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। ধর্ম কখনো বিভেদ সৃষ্টি করতে শেখায় না; বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের শিক্ষা দেয়। তাই ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভাজনের রাজনীতি থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন  ৭ শিয়াল রান্না করে রুটি দিয়ে খেল বরিশালের বাসিন্দারা

বক্তব্যে তিনি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহনশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হলো সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। এই ঐতিহ্য রক্ষা করা শুধু সরকারের নয়, সমাজের প্রতিটি নাগরিকেরও দায়িত্ব। বিভেদ নয়, বরং ঐক্যই দেশের অগ্রগতির প্রধান শক্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  আসছে ‘প্রতিভার সন্ধানে’, বদলে যাবে রিয়েলিটি শোর ধারণা

সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারাও সম্প্রীতি, পারস্পরিক সম্মান এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বিশ্বাস, সহযোগিতা এবং সৌহার্দ্য আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের বিভাজনমূলক অপপ্রচার বা উসকানির বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।