Cox’s Bazar সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ জানারঘোনা এলাকায় একটি ডোবা থেকে বেডশিটে মোড়ানো এক নারীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে স্থানীয়রা তীব্র দুর্গন্ধ টের পেয়ে সেখানে খোঁজ নিতে গিয়ে মরদেহটি দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
পরে মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি বেডশিট দেখে স্বজনরা নিহত নারীকে শনাক্ত করেন। নিহতের নাম শাহেদা আক্তার মুন্নী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে সাইফুল ইসলাম তারেকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা কিছুদিন চট্টগ্রামে বসবাস করলেও কয়েক মাস আগে কক্সবাজারে এসে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।
স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে মুন্নীকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের দাবি, স্বামী সাইফুল ইসলাম তারেক দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হয়। হত্যার আগে মুন্নীকে মারধর করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং মাথা ও হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন ছিল। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে ডোবা ও আশপাশের ঝোপঝাড়ে তল্লাশি চালালেও বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা যায়নি। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি রহস্যজনক এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।




























