জ্বালানিবাহী জাহাজ আসছে আগামী জুন মাসে দেশে। এ সময় পর্যন্ত পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেলবাহী মোট ১৬টি জাহাজ বাংলাদেশে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (১৫ মে) বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপারেশনস) মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চলতি মাসে ইতোমধ্যে ১৪টি জ্বালানিবাহী জাহাজ দেশে এসেছে এবং মাস শেষে আরও ৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করবে।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে মোট ১৯টি জাহাজে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি দেশে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিজেল, অকটেন, জেট ফুয়েল এবং ফার্নেস অয়েল।
পরিমাণ অনুযায়ী—
- ডিজেল: ৩ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন
- জেট ফুয়েল: ৬৭ হাজার টন
- অকটেন: ২৬ হাজার ৫০০ টন
- ফার্নেস অয়েল: ৭৫ হাজার টন
এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।
বিপিসি জানিয়েছে, আগামী জুন মাসের জন্য এখন পর্যন্ত ১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব জাহাজে থাকবে পরিশোধিত (ফিনিশড) ও অপরিশোধিত (ক্রুড অয়েল) তেল। জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে দেশে জ্বালানির ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে ‘এমটি ফসিল’ নামে একটি জাহাজ ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এটি ২৩ মে বন্দরে পৌঁছাবে। এর আগে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজ কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছায়, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহে যুক্ত হয়েছে।
জ্বালানিবাহী জাহাজ আসছে নিয়মিতভাবে, ফলে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিপিসি। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক আমদানি দেশের শিল্প, পরিবহন ও বিদ্যুৎ খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।






















